রাজনীতি ডেস্ক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা তারেক রহমানের চার দিনের উত্তরাঞ্চলীয় সফরের সূচি ও প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। দলটি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক এবং রিটার্নিং কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে সফরের বিষয়ে অবহিত করেছে।
গত মঙ্গলবার তারেক রহমানের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার স্বাক্ষরিত চিঠিতে ঢাকা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধা, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক এবং রিটার্নিং অফিসারদের এই সফরের তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সফরের সময় তারেক রহমান চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের কবর জিয়ারত এবং দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন। এছাড়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় আয়োজিত বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচিতেও তিনি উপস্থিত থাকবেন। দল জানিয়েছে, সফরটি সম্পূর্ণভাবে ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচির অংশ, এবং নির্বাচন কমিশন ঘোষিত আচরণবিধি কোনোভাবেই লঙ্ঘন করা হবে না। সফরের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী ১১ জানুয়ারি ঢাকা থেকে রওনা হয়ে টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ হয়ে বগুড়ায় গিয়ে রাত্রিযাপন করবেন তারেক রহমান। পরের দিন ১২ জানুয়ারি বগুড়া থেকে রংপুরের পীরগঞ্জ ও দিনাজপুর সফর শেষে ঠাকুরগাঁওয়ে অবস্থান করবেন। ১৩ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও থেকে পঞ্চগড়, নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলা সফর করে রংপুরে রাত্রিযাপন করবেন। সফরের শেষ দিন ১৪ জানুয়ারি রংপুর ও বগুড়ার গাবতলী হয়ে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
সফরকালে তিনি মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদ এবং মরহুমা তৈয়বা মজুমদারসহ অন্যান্য শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন। পাশাপাশি আহত জুলাই যোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
পুরো সফরের সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছেন পরিচালক (সমন্বয়) ক্যাপ্টেন (অব.) গণিউল আজম। সফরকালে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা, যানবাহন এবং অন্যান্য লজিস্টিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। সফরের উদ্দেশ্য প্রধানত ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হলেও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং শহীদ পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করাও এতে অন্তর্ভুক্ত।


