রাজনীতি ডেস্ক
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আইসিটি সেক্টরের ভূমিকা ও করণীয়’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন জানান, দলের সরকার গঠিত হলে দেশের নাগরিকদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। তিনি আরও জানান, সরকার গঠিত হলে জনগণের ক্ষমতায়ন ও মেধাবী নাগরিকদের জন্য উপযুক্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদানের কাজও হবে।
ড. মাহদী আমিন বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জয়লাভ করলে বাংলাদেশে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান কাজ হবে। যারা মেধাবী, তাদের জন্য যথাযথ সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই পরিকল্পনায় বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করেছেন।”
তিনি আরও জানান, ফ্রিল্যান্সারদের দাবির প্রেক্ষিতে দেশের জন্য পেপাল সার্ভিস আনার প্রক্রিয়া বিএনপি ইতোমধ্যে শুরু করেছে। এছাড়া তথ্য-প্রযুক্তি খাতে ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনাও রয়েছে।
ড. মাহদী আমিন বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে বিএনপি সরকার গঠন করবে। তিনি রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও তথ্য-প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে বিএনপির লক্ষ্য ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
বিএনপির এই ঘোষণার মাধ্যমে দেখা যায়, দলটি তথ্য-প্রযুক্তি খাতের সম্প্রসারণ ও জনগণের ডিজিটাল অধিকার নিশ্চিত করতে উদ্যোগী। বিনামূল্যে ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান এবং ফ্রিল্যান্সিং সহ তথ্য-প্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের যুবসমাজ ও প্রযুক্তি-পেশাজীবীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, ডিজিটাল সুবিধা সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি দেশের অর্থনীতি ও প্রযুক্তি খাতের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। দেশের যুব সমাজ ও উদ্ভাবনী পেশাজীবীরা এই ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেলে দেশজুড়ে ডিজিটাল অর্থনীতি ও সৃজনশীল উদ্যোক্তা চর্চা বৃদ্ধি পাবে।
তথ্য-প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নের পাশাপাশি বিএনপি জনগণের ক্ষমতায়ন ও ন্যায্য সুযোগ নিশ্চিত করতে পরিকল্পনা করছে। দলটি মেধাবী ও উদ্ভাবনী নাগরিকদের জন্য নীতি নির্ধারণের পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে।
শীর্ষ নেতাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনামূল্যে ইন্টারনেট ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তি খাতকে শক্তিশালী করা হবে। নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতের কাঠামোগত উন্নয়ন ঘটবে এবং দেশের যুবসমাজ নতুন দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে।
এ ধরনের উদ্যোগে দেশের অর্থনীতি ও প্রযুক্তি খাতের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে তথ্য-প্রযুক্তি খাতে ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ঘোষণার ফলে ফ্রিল্যান্সার, সফটওয়্যার ডেভেলপার ও অন্যান্য প্রযুক্তি পেশাজীবীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
ড. মাহদী আমিনের এই বক্তব্যে দেখা যায়, বিএনপি তথ্য-প্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন ও জনগণের ডিজিটাল সুবিধা নিশ্চিত করতে নীতি নির্ধারণের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশের পরিকল্পনা করছে।


