সরকারি ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের মাধ্যমে রমজানে সুলভ মূল্যে মাংস, ডিম ও দুধ বিক্রি

সরকারি ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের মাধ্যমে রমজানে সুলভ মূল্যে মাংস, ডিম ও দুধ বিক্রি

স্বাস্থ্য ডেস্ক

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রমজানের আগের দিন থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত মোট ২৬ দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে সুলভ মূল্যে মাংস, ডিম ও দুধ বিক্রি করা হবে।

মঙ্গলবার (০৩ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ভোক্তাদের জন্য ড্রেসড ব্রয়লারের মাংস প্রতি কেজি ২৪৫ টাকায়, পাস্তুরিত দুধ প্রতি লিটার ৮০ টাকায় এবং ডিম প্রতি পিস ৮ টাকায় বিক্রি করা হবে। পাশাপাশি, গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকায় সরবরাহ করা হবে।

সরকারি এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো রমজান মাসে মাংস, দুধ ও ডিমের বাজারমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ করা এবং সাধারণ ভোক্তাদের জন্য খাদ্যদ্রব্যকে সাশ্রয়ী মূল্যে সহজলভ্য করা। প্রতিটি বিক্রয় কেন্দ্র স্থানীয় জনসংখ্যা ও বাজারের চাহিদা অনুযায়ী চালু করা হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রগুলিতে সরবরাহকৃত পণ্যগুলো মানসম্পন্ন ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে বিক্রি করা হবে। এর মাধ্যমে ভোক্তাদের বাজারজাতকৃত পণ্যের উচ্চমূল্য থেকে সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, প্রতি বছর রমজানের সময় এই ধরনের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম চালু করা হয় এবং তা ভোক্তাদের মধ্যে সাড়া ফেলে। সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্রেতাদের দৈনন্দিন খাদ্যদ্রব্য ক্রয়ে চাপ কিছুটা হ্রাস পাবে।

এ ধরনের কার্যক্রমে সাধারণ জনগণ সরকারি ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রগুলোর ঠিকানা, সময়সূচি ও বিক্রয়কৃত পণ্যের পরিমাণ সম্পর্কে আগেভাগে অবহিত হলে ক্রেতাদের সুবিধা আরও বৃদ্ধি পাবে। মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জেলায় বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন ও পরিচালনার জন্য স্থানীয় কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রমজান মাসে খাদ্যদ্রব্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়, যা প্রায়শই বাজারমূল্যের উর্ধ্বগতি সৃষ্টি করে। সরকারি এই পদক্ষেপ বাজার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং নিম্ন আয়ের ভোক্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য সহজলভ্য করতে সহায়ক হবে।

সরকারি ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে সুলভ মূল্যে খাদ্যদ্রব্য বিক্রি রমজানের আগে এবং চলাকালীন সময়ে ভোক্তাদের সাশ্রয়ী সুযোগ প্রদান করবে, যা সামাজিক নিরাপত্তা ও খাদ্যসামগ্রী প্রাপ্যতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শীর্ষ সংবাদ স্বাস্থ্য