ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত দায়িত্ব হস্তান্তর করতে প্রস্তুত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত দায়িত্ব হস্তান্তর করতে প্রস্তুত

জাতীয় ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দ্রুতই নতুন সরকার দায়িত্ব হস্তান্তর করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন উপদেষ্টা কার্যালয়ের প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যে নতুন প্রধানমন্ত্রী শপথগ্রহণ করতে পারেন।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে শফিকুল আলম জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর সংখ্যাগরিষ্ঠ দল নির্বাচিত নেতা ১৫ অথবা ১৬ ফেব্রুয়ারি নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে পারবেন। তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও সংসদীয় কাঠামোর কারণে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব।

প্রেস সচিবের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর যদি সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন, তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণের জন্য ডাকা হবে। এই প্রক্রিয়াটি সর্বোচ্চ তিন দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, শপথগ্রহণের তারিখ ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।

সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে শপথগ্রহণ সম্পন্ন হলে সরকারী কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এর ফলে নির্বাচনের পর নতুন সরকার দ্রুতই প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণ করে জাতীয় কাজের পরিকল্পনা ও নীতি বাস্তবায়নে সক্ষম হবে।

নির্বাচনের ফলাফলের উপর নির্ভর করে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল গঠন এবং প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের প্রক্রিয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হওয়া রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে যথাযথ সময়সূচি মেনে চলা এবং শপথ গ্রহণের কার্যক্রমে সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে জানা গেছে।

এছাড়া, প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। শফিকুল আলমের মতে, প্রক্রিয়াটি দ্রুত এবং নিয়মতান্ত্রিকভাবে সম্পন্ন হলে সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে দেশের নীতি-নির্ধারণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সক্ষম হবে।

এভাবে নির্বাচন শেষ হওয়ার তিন দিনের মধ্যেই নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ করলে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সহজ হবে এবং নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী দায়িত্ব হস্তান্তরের স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিশ্চিত হবে।

জাতীয় শীর্ষ সংবাদ