জাতীয় ডেস্ক
জনপ্রিয় ইসলামী স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে গণভোটে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়ার পক্ষে নিজের অবস্থান প্রকাশ করেছেন। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে এ বিষয়ে মন্তব্য করেন।
শায়খ আহমাদুল্লাহ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, “ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে আমরা ‘হ্যা’ এর পক্ষে। একইসাথে সেই সংস্কার সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রেখে কার্যকর করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, এমন সংস্কার প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ব্যত্যয় যেন না ঘটে, তা নিশ্চিত করার জন্য চূড়ান্ত সংস্কার কার্যক্রমে প্রতিনিধিত্বশীল আলেমদের অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
তিনি গণভোটে ‘হ্যা’ ভোটকে কেবলমাত্র পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে নয়, বরং মূল্যবোধ অক্ষুন্ন রেখে পরিবর্তন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে দেখছেন। শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, “হ্যাঁ-ভোট মানে শুধু পরিবর্তন নয়, হোক মূল্যবোধ অক্ষুন্ন রেখে পরিবর্তনের অঙ্গীকার।”
এ ধরনের মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্ব বহন করে। বিশেষ করে, ইসলামি শিক্ষাব্যবস্থা ও সমাজের ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সমন্বয় রেখে যে সংস্কার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে, তা জনগণের আস্থা ও সহমতের উপর নির্ভর করবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ধর্মীয় নেতাদের মতামত গণভোটে ভোটারদের মনোভাব প্রভাবিত করতে পারে। নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব থাকবে যে, সকল সংশ্লিষ্ট পক্ষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে সংস্কার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও স্থায়ীত্ব নিশ্চিত করা।
শায়খ আহমাদুল্লাহর মন্তব্য সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে সম্মান রেখে সমসাময়িক পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি অনুরোধ করেছেন যে, সংস্কার প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নে আলেম ও ধর্মীয় প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হোক।
এ বিষয়ে তিনি ফেসবুকে প্রকাশিত পোস্টে আরও বলেন, দেশ ও সমাজের উন্নয়নে ইতিবাচক সংস্কারগুলো কার্যকর করা হলে তা সমাজের সকল স্তরে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক কাঠামোতে স্থায়ীত্ব আনবে।
শায়খ আহমাদুল্লাহর অবস্থান প্রকাশের মাধ্যমে গণভোট ও সংশ্লিষ্ট সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়ে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক মূল্যবোধের সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।


