রাজনীতি ডেস্ক
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশবাসীকে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গণতন্ত্রকামী জনগণের উচিত নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী প্রার্থীকে ভোট দেওয়া এবং রাষ্ট্রীয় অধিকার ও মালিকানার নিশ্চিত করা।
তারেক রহমান ভোটারদের উদ্দেশ্যে লিখেন, যাকে উপযুক্ত মনে করেন, তাকেই ভোট দেওয়ার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি নাগরিকদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটদানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। চেয়ারম্যান আরও বলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জনগণের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং তাদের সেবায় নিয়োজিত থাকবেন—এটাই প্রত্যাশিত।
ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা নির্বাচিত হলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবেন এবং সে দায়িত্ব পূর্ণভাবে পালন করবেন। তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সমর্থনের মাধ্যমে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত হবে।
একই পোস্টে তিনি দেশবাসীর কাছে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “করব কাজ, গড়ব দেশ; সবার আগে বাংলাদেশ।” এর মাধ্যমে তিনি ভোটারদের সক্রিয় ও শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহণের গুরুত্বের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
রাজনীতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দেশজুড়ে ভোটারদের উৎসাহ ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বও রয়েছে ভোটারদের নিরাপদ পরিবেশে ভোট প্রদানে সহায়তা করা এবং যে কোনো প্রকার বাধা বা অনিয়ম প্রতিরোধ করা।
চেয়ারম্যানের এই আহ্বানকে কেন্দ্র করে দলের নেতা-কর্মীরা স্থানীয় এবং জেলা পর্যায়ে ভোটারদের সচেতন ও উৎসাহী করার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করেছেন। তারা জনসভা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার নানা প্রচারণা চালাচ্ছেন।
বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে, নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক নেতাদের এই ধরনের আহ্বান ভোটারের মনোভাব ও অংশগ্রহণকে প্রভাবিত করার পাশাপাশি নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের মৌলিক অধিকার প্রয়োগ করতে সক্ষম হন এবং নির্বাচনের ফলাফলের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়।
তিনি নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রতি প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের দায়িত্ব ও আশা পূরণ করা তাদের নৈতিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব। দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে এমন আহ্বান ভোটপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণ ও দায়িত্বশীলতার প্রতিফলন ঘটাতে পারে।


