সুষ্ঠ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যে ফলাফল আসবে, সেটি সবাই মেনে নেবে : জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান

সুষ্ঠ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যে ফলাফল আসবে, সেটি সবাই মেনে নেবে : জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান

রাজনীতি ডেস্ক

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এবারের নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে সম্পন্ন হওয়া এবং সন্ত্রাস ও দখলমুক্ত ও গ্রহণযোগ্যভাবে ফলাফল ঘোষণার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “সুষ্ঠ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যে ফলাফল আসবে, সেটি সবাই মেনে নেবে। ভোট যদি নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হয়, আমরা সেই ফল মেনে নেব। অন্যদেরও তা মানতে হবে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।”

ডা. শফিকুর রহমান দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর ভোট প্রদানের সুযোগ পাওয়া প্রসঙ্গে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এই নির্বাচন দেশের জন্য একটি নতুন দিনের সূচনা করবে। বিশেষভাবে যেসব তরুণ ও তরুণী আগে কখনো ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি, তাদের জন্য আজকের দিনটি তাৎপর্যপূর্ণ।

ভোট প্রদান শেষে তিনি জানান, নির্বাচনের পর অন্যান্য কেন্দ্রগুলোর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং সারাদেশের ভোট সংক্রান্ত খবর সংগ্রহ করবেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভোটকেন্দ্রে ছোটখাটো সমস্যা উপেক্ষা করা যেতে পারে, কিন্তু বড় ধরনের কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না।

দেশ গঠনের কাজে সকলের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “দেশ সবার, দেশ গড়তে হবে সম্মিলিতভাবে।” তিনি মিডিয়াকে সমাজের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করে গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়া, সকল ভোটারকে শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাইকে নিজের দায়িত্ব পালন করার উপর গুরুত্বারোপ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্র গঠনে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একই ঘটনা বিভিন্নভাবে উপস্থাপিত হয়। তিনি সতর্ক করেন, কেউ অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত, তবে অপরাধ নয় এমন বিষয়কে জোর করে অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন করাও অন্যায়।

এই মন্তব্যগুলোর মাধ্যমে জামায়াতের আমির নির্বাচনের নিরপেক্ষতা, গ্রহণযোগ্যতা এবং নাগরিক দায়িত্বের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। পাশাপাশি তিনি সবার মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট প্রদানের মনোভাব ও সামাজিক দায়িত্ববোধের প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

রাজনীতি শীর্ষ সংবাদ