রাজনীতি ডেস্ক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে দলের নেতা তারেক রহমান আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন হবে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বিকেল ৫টার দিকে।
শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে চীন, ভারত, পাকিস্তানসহ মোট ১৩টি দেশের নেতৃবৃন্দকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এতে সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটানও তালিকাভুক্ত। এ সিদ্ধান্ত বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে পরামর্শের পর নেয়া হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, আইন মন্ত্রণালয় এবং বিএনপির একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন ও অতিথি তালিকা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এই সূত্রগুলো থেকে জানা গেছে।
জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিতব্য এই অনুষ্ঠান শুধু শপথ গ্রহণেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; তা দেশের প্রশাসনিক কাঠামোর জন্য নতুন সরকারের দিকনির্দেশনাকে প্রতিফলিত করবে। সরকারি শপথ অনুষ্ঠানকে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ও সম্মানজনক করার জন্য বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী সরকার গঠনের প্রক্রিয়ার পাশাপাশি শপথ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা, কার্যক্রম ও আনুষ্ঠানিক প্রটোকল সংক্রান্ত প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিচালনা করা হবে।
শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের পরিবর্তন নিশ্চিত হবে এবং দেশবাসীর সামনে নতুন সরকারের কার্যক্রম শুরু হবে। অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক অতিথিদের উপস্থিতি বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার দিকে প্রভাব ফেলতে পারে।


