আমিনুল হক পেলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব

আমিনুল হক পেলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব

জাতীয় ডেস্ক

শপথ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক ও ঢাকা দক্ষিণ উত্তরের বিএনপির আহ্বায়ক এবং বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক। তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।

আমিনুল হক ঢাকা-১৬ আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তবে তিনি জয়ী হতে পারেননি। ওই আসনে তিনি জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কর্নেল (অব.) মো. আবদুল বাতেনের কাছে পরাজিত হন।

নির্বাচনে পরাজিত হওয়া সত্ত্বেও সম্প্রতি আমিনুল হককে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছিল। নতুন সরকারের ক্রীড়ামন্ত্রীর পদ নিয়ে গুঞ্জন থাকলেও শপথ গ্রহণের মাধ্যমে তিনি এ অঙ্গনে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণকারী ২৪ জনের মধ্যে তিনি একমাত্র টেকনোক্র্যাট কোটার প্রতিনিধি। পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীর পদ পেয়েছেন মোট তিনজন, বাকি প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে দুইজন টেকনোক্র্যাট।

পূর্ববর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয় হিসেবে পরিচালিত হয়েছিল। সর্বশেষ আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নাজমুল হাসান পাপনকে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ও পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় পরিচালিত হয়েছিল আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও ড. আসিফ নজরুলের দ্বারা। তবে নতুন সরকারের আমলে মন্ত্রণালয় পরিচালিত হবে একজন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে।

আমিনুল হকের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে ক্রীড়া ও যুব সম্প্রদায়ের জন্য নীতি নির্ধারণ ও কার্যক্রম বাস্তবায়নের নতুন দিক উন্মুক্ত হতে পারে। বিশেষভাবে খেলাধুলার উন্নয়ন, ক্রীড়া অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং যুবসম্প্রীতির কার্যক্রমের উপর তার নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রের উন্নয়ন, খেলোয়াড়দের জন্য প্রশিক্ষণ ও সহায়ক অবকাঠামোর সম্প্রসারণ, এবং যুবসম্প্রীতি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে তার ভূমিকা নজরদারি ও পরিকল্পনামূলক উদ্যোগের মাধ্যমে দৃশ্যমান হবে। মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে রাজনৈতিক সংখ্যালঘুতা ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, ক্রীড়াবিষয়ক নীতি নির্ধারণে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগ, এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রস্তুতি আরও সক্রিয় করা এই প্রশাসনিক দায়িত্বের মূল অংশ।

এভাবে, টেকনোক্র্যাট হিসেবে শপথ গ্রহণ করা আমিনুল হক যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব প্রদান করবেন, যা দেশের ক্রীড়া ও যুবসম্প্রীতি উন্নয়নে নতুন দিক উন্মুক্ত করবে।

জাতীয় শীর্ষ সংবাদ