বিনোদন ডেস্ক
২০২৫ সালের আগস্টে ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফেরার পথে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৪ বোতল মদসহ আটক হয়েছেন বলে সংবাদ ছড়িয়ে পড়েছিল। ওই সময় মেহজাবীনের সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্বামী নির্মাতা আদনান আল রাজীব এবং নির্মাতা শঙ্খ দাসগুপ্ত। ঘটনার বিস্তারিত গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর সমালোচনার মুখে পড়েন অভিনেত্রী।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মেহজাবীন চৌধুরী এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। মেহজাবীনের দাবি, ‘কিছুদিন ধরে আমি লক্ষ্য করছি আমাকে নানা বিষয়ে টার্গেট করা হচ্ছে। আপনারা অনেকেই জানেন, কিছুদিন আগেও একটি মিথ্যা মামলায় আমাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল। বিজ্ঞ আদালত সেই মামলা থেকে আমাকে অব্যাহতি দিয়েছেন, সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’
অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘আমি যখন নতুন করে কাজে মনোনিবেশ করেছি, ঠিক তখনই আবার আমার মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’ মেহজাবীন প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ছবি ও ভিডিও শিল্পীদের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করছে। নারীদের বিরুদ্ধে সাইবার হুমকির প্রবণতাকেও তিনি তুলে ধরেন।
মেহজাবীন চৌধুরী তার পোস্টে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, তিনি কেবল পেশাগত কাজের দিকে মনোযোগ দিতে চান এবং চান তাঁর কাজের সাফল্য ও অবদানই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হোক, বিতর্ক নয়।
প্রসঙ্গত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের উপর বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে ভুয়া কন্টেন্ট তৈরি এখন দেশে নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন পরিস্থিতি শুধুমাত্র সেলিব্রিটি নয়, সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্যও সতর্কতার বার্তা প্রদান করছে।


