জাতীয় ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৪৭ মিনিটে সচিবালয় থেকে হেঁটে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘একুশে পদক’ প্রদান অনুষ্ঠানে যোগদান করেছেন। অনুষ্ঠানে তিনি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা প্রদান করবেন।
প্রধানমন্ত্রী এদিন সকাল ৯টা ০৪ মিনিটে সচিবালয়ে প্রবেশ করেন এবং সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১ নম্বর ভবন থেকে ৫ নম্বর গেট দিয়ে হেঁটে তিনি ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনের দিকে রওনা হন।
সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নয়জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক’ প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্য, উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের তালিকা অনুযায়ী, অভিনয় বিভাগে মনোনীত হয়েছেন ফরিদা আক্তার ববিতা। চারুকলায় নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার। স্থাপত্যে মনোনয়ন পেয়েছেন স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম। সংগীতে (মরণোত্তর) সম্মাননা পাচ্ছেন কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু।
নৃত্যে স্বীকৃতি পাচ্ছেন অর্থী আহমেদ এবং পালাগানে সম্মানিত হচ্ছেন ইসলাম উদ্দিন পালাকার। সাংবাদিকতায় মনোনীত হয়েছেন শফিক রেহমান। শিক্ষাক্ষেত্রে নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং ভাস্কর্যে স্বীকৃতি পাচ্ছেন তেজস হালদার জস। এছাড়া সংগীতাঙ্গনে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যান্ড ওয়ারফেজকে ‘একুশে পদক–২০২৬’-এ ভূষিত করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী বিকালে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। বাংলা একাডেমি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করবেন।
‘একুশে পদক’ বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৭৬ সাল থেকে ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে ভাষাসৈনিক, সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে।


