অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
দেশের বাজারে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকায়। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, সর্বশেষ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। সংগঠনটি স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্যের কিছুটা হ্রাসের প্রেক্ষাপটে নতুন দাম নির্ধারণ করেছে।
নতুন মূল্যসূচি অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির হেরফের হতে পারে।
স্বর্ণের দামের সর্বশেষ পরিবর্তনের আগে, ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে বাজুস ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকায় সমন্বয় করেছিল। সেই সময় ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। পরিবর্তিত দাম সেইদিন সকাল সোয়া ১০টা থেকে কার্যকর হয়।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন নেই। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৮২ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তেজাবি স্বর্ণের মূল্য হ্রাসের প্রভাব এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের ওঠানামা স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের মূল্যে সরাসরি প্রতিফলিত হয়। বাজুসের নতুন দাম নির্ধারণ দেশজুড়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের জন্য একটি মানদণ্ড হিসেবে কাজ করবে এবং গাহকদের ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে স্বর্ণের মূল্যায়ন প্রায়ই বিনিয়োগ এবং সঞ্চয় পরিকল্পনার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই নিয়মিত দাম পরিবর্তন সম্পর্কে তথ্য প্রদান করা বাজার স্বচ্ছতা ও লেনদেনের ক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হয়।


