ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত

ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত

জাতীয় ডেস্ক

ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের প্রস্তুতি হিসেবে জেলার ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রোববার সকালে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, জেলার মানুষের জন্য মানসম্মত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, মেডিকেল কলেজ স্থাপনের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নিতে হাসপাতালের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি অপরিহার্য। তিনি আরও জানান, হাসপাতাল পরিচ্ছন্ন রাখা, চিকিৎসা সরঞ্জাম বৃদ্ধি এবং সেবার মান উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন, তা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চাহিদাপত্র অনুযায়ী দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। রোগী ও স্বজনদের চলাচল সহজ করার জন্য হাসপাতালের একাংশে একটি লিফট স্থাপনের ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়েও জেলা প্রশাসন কাজ করবে।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন এবং স্বাস্থ্য বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জানান, হাসপাতালের চিকিৎসক কর্মীদের তিন বছরের বেশি কর্মকাল সংক্রান্ত বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ১০–১২ দিন পার হয়েছে এবং ধাপে ধাপে সবকিছু নিয়মের মধ্যে আনা হবে।

উন্নীত শয্যা সংখ্যা এবং আধুনিক সরঞ্জাম নিশ্চিত হলে জেলা হাসপাতালটি ভবিষ্যতে মেডিকেল কলেজ হিসেবে রূপান্তরের জন্য উপযুক্ত অবকাঠামো তৈরি হবে। সরকারের পরিকল্পনায় হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা প্রসারিত হওয়া এবং রোগীর চাহিদা মেটানো গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো সমন্বিতভাবে দেখছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মাধ্যমে জেলার শিক্ষাব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যপরিষেবায় উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন ঘটতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। জেলা বাসীর জন্য উচ্চমানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা এবং স্বাস্থ্যসেবার বিস্তার ঘটানো এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

জাতীয় শীর্ষ সংবাদ