বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার মা হুরন নাহার রশিদের ইন্তেকাল

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার মা হুরন নাহার রশিদের ইন্তেকাল

বাংলাদেশ ডেস্ক

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার মা হুরন নাহার রশিদ রোববার (১ মার্চ) ভোরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ও অসুস্থতার ধরন সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব মো. আব্দুল আউয়াল বুলবুল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় পরিবারের সদস্যরা তার পাশে ছিলেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গুলশানের আজাদ মসজিদে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর মরদেহ মানিকগঞ্জে নেওয়া হবে। সেখানে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। মরহুমার স্বামী সাবেক মন্ত্রী হারুনার রশিদ খান মুন্নুর কবরের পাশেই তাকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

হুরন নাহার রশিদ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তার পরিবার দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সুপরিচিত। তার স্বামী হারুনার রশিদ খান মুন্নু অতীতে মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরিবারটি মানিকগঞ্জ অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জানাজায় আত্মীয়স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেবেন। দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হতে পারে বলেও জানা গেছে, তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তখনও নেওয়া হয়নি।

একজন মন্ত্রীর পরিবারের সদস্যের মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনেও শোকের ছায়া নেমে আসে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শোকবার্তা দেওয়া হয়েছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কারা শোক প্রকাশ করেছেন তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে প্রভাবশালী পরিবারগুলোর সদস্যদের ইন্তেকাল প্রায়ই জনপরিসরে আলোচনার জন্ম দেয়, বিশেষ করে যখন তারা সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকেন। এ ক্ষেত্রে হুরন নাহার রশিদের মৃত্যুতে পরিবারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের মধ্যেও শোকের আবহ সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

তার ইন্তেকালে পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে সবার কাছে মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া চাওয়া হয়েছে।

জাতীয় শীর্ষ সংবাদ