প্রবাস ডেস্ক
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংঘটিত একটি ড্রোন হামলায় চারজন বাংলাদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বাসিন্দা।
রবিবার (১ মার্চ) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া এক ফেসবুক পোস্টে এই তথ্য জানান। তিনি জানান, হামলার সময় চারজন বাংলাদেশি গুরুতর ও মধ্যম আঘাত প্রাপ্ত হন।
পোস্টে বলা হয়েছে, আমিনুল ইসলাম নামের একজন বাংলাদেশি নাগরিক হাঁটুতে গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হয়েছেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা। বাকি তিনজন কাচের টুকরো লাগার কারণে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন।
আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কুয়েতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং প্রবাসী কল্যাণ সংস্থাগুলো দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা ইতোমধ্যেই বিমানবন্দর সংলগ্ন হাসপাতালে সম্পন্ন হয়েছে এবং তাদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের সুরক্ষা ও সহায়তা প্রদানে নিয়মিতভাবে তৎপর রয়েছে। এই ধরনের অপ্রত্যাশিত ঘটনা মোকাবিলায় বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মন্ত্রণালয়ের অগ্রাধিকারসূচিতে রয়েছে।
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এ অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ট্রাফিক হাব। হামলার প্রেক্ষিতে বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় উন্নত প্রযুক্তি ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের হামলার প্রভাব কেবল আহতদের সীমিত রাখে না, বরং প্রবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক পরিবহন ব্যবস্থার ওপরও প্রভাব ফেলে।
মন্ত্রণালয় বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং আহতদের পূর্ণ চিকিৎসা, সহায়তা ও প্রয়োজনে দেশে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগে সহায়তা প্রদানে প্রস্তুত রয়েছে।


