আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানের রাজধানী তেহরানে বুধবার রাতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের সামরিক অবকাঠামো, বিশেষ করে ব্যালিস্টিক মিসাইল সংক্রান্ত স্থাপনাসমূহ।
ইসরায়েলি সামরিক কর্তৃপক্ষ জানায়, হামলা তৎক্ষণাত আক্রমণের মাধ্যমে কার্যকর করা হয়েছে যখন ইরানের সেনারা ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এর আগে বুধবার সন্ধ্যায়ও একই স্থানে হামলা চালানো হয়েছিল। ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী, আগের হামলায় ব্যালিস্টিক মিসাইল সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে।
তেহরানে এই হামলা চলমান ইরান–ইসরায়েল উত্তেজনার একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সামরিক কর্মকাণ্ডের এ ধরনের পুনরাবৃত্তি অঞ্চলটিতে স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
ইতিমধ্যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে প্রথম বিমান হামলা চালানো হয়েছিল ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযানের অংশ হিসেবে। বুধবার রাতের হামলা ছিল ওই অভিযানের ১১তম ঘটনা। এ ধরনের ক্রমবর্ধমান হামলা ইরানের সামরিক অবকাঠামোর ওপর চাপ সৃষ্টি করছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন অবস্থায় রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই হামলা ইরানের সামরিক কর্মকাণ্ড সীমিত করতে এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক প্রভাব বাড়াতে ইসরায়েলের কৌশলের অংশ। তেহরানে এবং আশেপাশের অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে কূটনৈতিক সম্পর্ক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমেও প্রভাব পড়তে পারে।
হামলার পর ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া বা বিবৃতি প্রদান করেনি। তবে আগের হামলার পর তেহরান জানিয়েছিল, তারা প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এই পরিস্থিতিকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।


