ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে নাগরিক অংশগ্রহণে ‘পাবলিক হিয়ারিং ডে’ চালু

ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে নাগরিক অংশগ্রহণে ‘পাবলিক হিয়ারিং ডে’ চালু

জাতীয় ডেস্ক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) নগরের বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা সমাধানে নাগরিকদের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ‘পাবলিক হিয়ারিং ডে’ চালু করেছে। প্রতি শনিবার অনুষ্ঠিত এই কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সরাসরি প্রশাসকের সঙ্গে তাদের অভিযোগ, সমস্যার বিষয় এবং নাগরিক সেবা সংক্রান্ত বিষয়ে মতবিনিময় করতে পারবেন।

ডিএসসিসি’র পক্ষ থেকে শুক্রবার (৬ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম নগর ভবনে তার কার্যালয়ে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এতে লক্ষ্য করা হয়েছে, নগরের বিভিন্ন সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া।

ঘোষণার বিস্তারিত অনুযায়ী, প্রতি শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত (রমজান মাস ব্যতীত অন্যান্য সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত) নগর ভবনের প্রশাসকের কার্যালয়ে ‘পাবলিক হিয়ারিং ডে’ অনুষ্ঠিত হবে। এই সময় সাধারণ নাগরিকরা সরাসরি প্রশাসকের সঙ্গে তাদের সমস্যা, অভিযোগ এবং নাগরিক সেবা সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা করতে পারবেন।

ডিএসসিসি’র এই উদ্যোগের মাধ্যমে নাগরিকদের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ ও কার্যকর করার পাশাপাশি সমস্যা সমাধানের গতি বৃদ্ধি করার আশা করা হচ্ছে। এ ধরনের সরাসরি মতবিনিময় নাগরিক সম্পৃক্ততা বাড়িয়ে নগর পরিচালনায় স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নগরবাসী এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যা, পরিচ্ছন্নতা, ট্রাফিক, নিরাপত্তা এবং অন্যান্য সেবাসংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরতে পারবেন। এছাড়াও, প্রশাসক বিভিন্ন সমস্যার তাত্ক্ষণিক সমাধান বা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে নগরের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে পারবেন।

ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের উপস্থিত হয়ে সরাসরি প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময় করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে। এটি নগর প্রশাসন ও নাগরিকদের মধ্যে একটি প্রতিক্রিয়াশীল সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়ক হবে, যা নগর পরিচালনায় দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব ও দক্ষতা নিশ্চিত করবে।

এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে নগরের বিভিন্ন অংশে নাগরিক অভিযোগ ও সমস্যার দ্রুত সমাধানের পাশাপাশি সেবার মান উন্নয়নের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের সরাসরি অংশগ্রহণ নাগরিকদের সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রশাসনের ওপর জনগণের আস্থা এবং জবাবদিহিতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয় শীর্ষ সংবাদ