জাতীয় ডেস্ক
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষে সমর্থন আদায়ের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান শনিবার সকালেই ঢাকা ত্যাগ করেছেন। নিউইয়র্ক যাওয়ার পথে তিনি তুরস্কে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করবেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তুরস্কে অবস্থানকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বেশ কয়েকটি বৈঠক ও কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এসব বৈঠক বাংলাদেশের সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্ব প্রার্থিতার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে।
সফরের সময় ড. খলিলুর রহমান বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এ বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আরও শক্তিশালী করা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আশা করছে, এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের প্রার্থিতার ব্যাপক স্বীকৃতি নিশ্চিত হবে।
বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্বের জন্য নিজেকে প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করেছে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে সমর্থন আদায়ের উদ্যোগ নিয়েছে। সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব আন্তর্জাতিক কূটনীতিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পদটি অর্জন করলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি ও বৈশ্বিক প্রভাব বৃদ্ধি পাবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর কেবল সমর্থন সংগ্রহে সীমাবদ্ধ নয়; এটি বাংলাদেশের কূটনৈতিক নেটওয়ার্ক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার এক সুযোগ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। বৈঠকগুলোতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ছাড়াও সম্ভাব্য সমঝোতা ও সহযোগিতার বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ হবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের সরাসরি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাংলাদেশের সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্ব প্রার্থিতাকে শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক স্তরে দেশের অবস্থান আরো দৃঢ় করবে। সফরের মাধ্যমে অর্জিত সমর্থন ভবিষ্যতে ভোটাভুটিতে প্রভাব বিস্তার করতে পারে, যা বাংলাদেশের কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরবর্তী দিনগুলোতে সফরের বিস্তারিত কার্যক্রম এবং বৈঠকের ফলাফল সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করা হবে।


