জাতীয় ডেস্ক
ঢাকা-১৭ আসনের জনগণের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ আবদুর রহমান সানীকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। সোমবার (১৬ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার স্বাক্ষরিত একটি অফিসিয়াল পত্রের মাধ্যমে এই নিয়োগের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
পত্রে বলা হয়েছে, “ঢাকা-১৭ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য তারেক রহমান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় আসনের (ঢাকা-১৭) জনগণের দৈনন্দিন কার্যক্রমের সুচারু বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ আবদুর রহমান সানীকে এই আসনের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলো।”
তথ্য অনুযায়ী, তারেক রহমান গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসনে নির্বাচিত হন। পরে বগুড়া-৬ আসনটি ত্যাগ করে তিনি ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন।
নতুন প্রতিনিধির নিয়োগের মাধ্যমে ঢাকা-১৭ আসনের জনগণের সরকারি কার্যক্রমে সহায়তা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় প্রশাসনিক কাজের দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে বলে জানা গেছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি স্থানীয় সমস্যার সমাধান, সরকারি পরিষেবা নিশ্চিতকরণ এবং সংসদ সদস্যের অফিসের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করবে।
ঢাকা-১৭ আসনটি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকা হিসেবে পরিচিত। এই এলাকায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সড়ক এবং অন্যান্য জনসেবামূলক কার্যক্রমে স্থিতিশীলতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করার প্রয়োজন রয়েছে। সানীর নিয়োগের ফলে এসব কাজের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুসংগঠিতভাবে পরিচালিত হবে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তারা মনে করান, সংসদীয় আসনের প্রতিনিধির ভূমিকা স্থানীয় জনগণ ও সংসদ সদস্যের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। এটি জনগণের অভিযোগ, চাহিদা ও আবেদন দ্রুত কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পৌঁছে দিতে সহায়ক হয়। ফলে স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও সরকারি প্রকল্পের বাস্তবায়ন আরও সুচারুভাবে সম্পন্ন হয়।
এছাড়া, প্রতিনিধির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সরকারি সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুততর হবে। এই পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিভিন্ন সরকারি দফতর ও বিভাগে সমন্বয় রক্ষা করবেন, যাতে স্থানীয় জনগণ যে কোনো সমস্যার সমাধান দ্রুত পেতে পারে।
ঢাকা-১৭ আসনের নতুন প্রতিনিধি নিয়োগ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের নিয়োগ স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরকারের সংযোগ বৃদ্ধি করে এবং নাগরিক সুবিধা আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করে।


