ক্রীড়া ডেস্ক
ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ স্তরের প্রতিযোগিতা উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ২০২৫-২৬ মৌসুমের কোয়ার্টার ফাইনালের দলগুলো নিশ্চিত হয়েছে। শেষ আটে পৌঁছানো সেরা আটটি দল সেমিফাইনালের টিকিট অর্জনের জন্য লড়াই করবে। প্রতিটি ম্যাচে থাকবে উচ্চমাত্রার প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও কৌশলগত উত্তেজনা।
কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের ক্লাব প্যারিস সাঁ জার্মেই (পিএসজি) মুখোমুখি হচ্ছে ইংলিশ জায়ান্ট লিভারপুলের সঙ্গে। দুই দলের মধ্যকার অতীত রেকর্ড সমানতালে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, ফলে ম্যাচটি ইউরোপীয় ফুটবলে অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পিএসজি ও লিভারপুলের সাম্প্রতিক ছয়টি মুখোমুখি লড়াইয়ে উভয় দলই তিনটি করে জয় অর্জন করেছে।
সবচেয়ে হাইভোল্টেজ লড়াই হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে স্প্যানিশ রেকর্ড চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ ও জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের মধ্যে কোয়ার্টার ফাইনাল। ইতিহাস অনুযায়ী, দুই দলের ২৮টি ম্যাচের মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদ ১৩টি জয় পেয়েছে, বায়ার্ন মিউনিখ ১১টি জয় এবং ৪টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। এই ম্যাচকে কোয়ার্টার ফাইনালের সবচেয়ে নাটকীয় ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্প্যানিশ লা লিগার দুই ক্লাব বার্সেলোনা ও অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদও কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে। এই দুই দলের চারটি পূর্ববর্তী ম্যাচে অ্যাতলেতিকো ২টি জয় অর্জন করেছে, বার্সেলোনা ১টি জয় এবং ১টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। লা লিগার এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াই কৌশলগত এবং উত্তেজনাপূর্ণ হওয়ায় দর্শকদের আগ্রহ ধরে রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।
পর্তুগালের স্পোর্টিং সিপি কোয়ার্টার ফাইনালে ইংলিশ ক্লাব আর্সেনালের সঙ্গে মুখোমুখি হবে। অতীত রেকর্ড অনুযায়ী, স্পোর্টিং এখনও আর্সেনালের বিপক্ষে জয় পায়নি; পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে আর্সেনাল ২টি জয় এবং ৩টি ম্যাচ ড্র করেছে। তুলনামূলকভাবে আর্সেনালকে এগিয়ে ধরা হলেও স্পোর্টিং চমক দেখানোর ক্ষমতা রাখে।
কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগ অনুষ্ঠিত হবে ৮ ও ৯ এপ্রিল, এবং ফিরতি লেগ অনুষ্ঠিত হবে ১৫ ও ১৬ এপ্রিল। দুই লেগের ফলাফলের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে কোন দলগুলো সেমিফাইনালে পৌঁছাবে। ইউরোপীয় ফুটবলের এই পর্যায়ে প্রতিটি ম্যাচের ফলাফলের গুরুত্ব অত্যধিক, এবং দলগুলো তাদের সেরা কৌশল প্রয়োগ করে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার চেষ্টা করবে।


