জাতীয় ডেস্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেছেন বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার সকালে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায়ের পর প্রধানমন্ত্রী যমুনায় আয়োজিত আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন এবং সেখানে আগত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
জানা যায়, সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নামাজ শেষে তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রবেশ করেন এবং সেখানে আয়োজিত ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সকাল সোয়া ৯টা থেকে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য যমুনার প্রধান ফটক উন্মুক্ত করা হয়, যার মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, কূটনীতিক, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ পান।
এই আয়োজনে বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, সাম্প্রতিক প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলাপ-আলোচনা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ঈদকে কেন্দ্র করে যমুনায় অনুষ্ঠিত এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানটি ছিল একটি আনুষ্ঠানিক সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় আয়োজন, যেখানে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অংশ নিয়ে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, বিদেশি কূটনীতিক, পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরাও পৃথকভাবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের সুযোগ পান।
রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এমন আয়োজন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের একটি প্রথা, যার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃত্বের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার হয়। একইসঙ্গে এটি জাতীয় জীবনে ঐক্য, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির বার্তা বহন করে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে এ ধরনের আনুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি করতে সহায়ক হয়।


