সরকারের প্রতিশ্রুতি পূরণে অগ্রগতি, দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল: অর্থমন্ত্রী

সরকারের প্রতিশ্রুতি পূরণে অগ্রগতি, দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল: অর্থমন্ত্রী

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী রোববার জানান, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সরকার জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি কার্যকরভাবে পূরণে অগ্রগতি করছে। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ সত্ত্বেও দেশের দ্রব্যমূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে, তেলের দাম বৃদ্ধি পায়নি, তেলের সংকট তৈরি হয়নি এবং পরিবহন খাতে ভাড়া বৃদ্ধিও ঘটেনি। সরকারের কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতে এগিয়ে চলেছে এবং জনগণের সহযোগিতা থাকলে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

মন্ত্রীর মতে, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ স্থিতিশীল এবং জনগণ তাদের অধিকার ও মালিকানার অনুভূতি উপভোগ করছে। তিনি বলেন, নির্বাচিত ও গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করছে, যা দেশের ঈদ উৎসবের আনন্দ ও উদ্দীপনায় প্রতিফলিত হচ্ছে। দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নাগরিকদের সহযোগিতা ও সংযম অপরিহার্য।

এই মন্তব্যগুলি তিনি নগরের মেহেদিবাগে নিজের বাসায় আয়োজিত ঈদ-পরবর্তী মেজবানিতে গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলাদলসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মেজবানিটি মূলত একটি ঈদ পুনর্মিলনীর আকার ধারণ করেছিল, যেখানে নেতাকর্মীরা একে অপরের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড়ও বৃদ্ধি পায়, ফলে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

একই দিনে চট্টগ্রামের স্মরণিকা ক্লাবে মেজবানের আয়োজন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এছাড়া চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্করও নিজস্ব উদ্যোগে দলীয় নেতাকর্মী, পেশাজীবী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্মানে মেজবানের আয়োজন করেন। এদিন নগরের মন্ত্রী-এমপি ও কমিউনিটি সেন্টারগুলো প্রাণঘন হয়ে ওঠে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, এই ধরনের সামাজিক আয়োজন দলের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীদের মধ্যে ভাতৃত্ববোধ এবং সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে। একই সঙ্গে এগুলো দলের ভিত মজবুত করতে এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। মন্ত্রীর উদ্যোগে আয়োজিত এই মেজবানি দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে, যা স্থানীয় স্তরে দলের কার্যক্রম ও জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অর্থ বাণিজ্য শীর্ষ সংবাদ