অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান সোমবার (২৩ মার্চ) টাঙ্গাইলের সখীপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেছেন, দেশে তেল ও ভোজ্যতেলের কোনো সংকট নেই। তিনি বলেন, “না অকটেন, না ডিজেল, না পেট্রল, এবং না ভোজ্যতেলের কোনো অভাব রয়েছে। তবে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়িয়ে লাভবান হওয়ার চেষ্টা করেন।”
মন্ত্রী আরও জানান, সরকারের নীতি অনুযায়ী এই ধরনের অনিয়মের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। যেসব ব্যক্তির গাড়ি আছে বা যাদের পেট্রল, ডিজেল, অকটেন বা ভোজ্যতেলের প্রয়োজন তাদের শঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের কার্যক্রমের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে এবং সাধারণ মানুষ সাশ্রয়ী দামে তেল ও নিত্যপণ্য ক্রয় করতে পারবেন।
এ সময় স্থানীয়ভাবে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী সরকারের তেলের সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকায় বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
এ ছাড়াও মন্ত্রী আহমেদ আযম খান শহীদ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে সরকার আগে থেকেই সিরিয়াস। ভারতের মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া ওসমান হাদির আসামিদের বিষয়েও সরকার যথাযথ উদ্যোগ নেবে। আমাদের লক্ষ্য, সব হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার নিশ্চিত করা।”
মন্ত্রী বলেন, সরকার দেশে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে। এ ধরনের পদক্ষেপ জনগণকে নিরাপত্তা বোধ করাবে এবং দেশের সামগ্রিক বাজার ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা রক্ষায় সহায়ক হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়, যা সরকারের নীতি এবং আইন অনুযায়ী প্রতিরোধ করা হবে। সরকারের তেল ও নিত্যপণ্যের সরবরাহ সুনিশ্চিত রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী আশ্বাস দেন, তেল ও ভোজ্যতেলের সরবরাহ ও বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে। তিনি সতর্ক করেছেন, যে কোনো প্রকার কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার চেষ্টা সরকারের নজর এড়াবে না এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


