অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতরের পরবর্তী সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস বুধবার (২৫ মার্চ) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু করেছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএসইতে লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০টায় সাধারণ সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ২০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩০৫ পয়েন্টে অবস্থান করে। একই সময়ে ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক ৩ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে ১ হাজার ৭৬ ও ২ হাজার ১৬ পয়েন্টে পৌঁছে। লেনদেন শুরুর পর আধা ঘণ্টার মধ্যে শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের মোট লেনদেন ৯৭ কোটি ৫২ লাখ টাকার ছাড়িয়ে গেছে।
সকালের এই সময়ে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২০৬টির শেয়ার মূল্য বেড়েছে, ৯০টির দাম কমেছে এবং ৬৫টির শেয়ার অপরিবর্তিত ছিল। লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০ কোম্পানি হলো: সান লাইফ ইনস্যুরেন্স, রানার অটো, বিডি অটোকার, একমি লিমিটেড, এবি ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, পার্ল, ইনটেক লিমিটেড, ডোমেনেজ স্টিল এবং গোল্ডেন সন।
ডিএসইএক্স সূচকের ঊর্ধ্বগতি সকালে পর্যায়ক্রমে ধরা পড়ে। লেনদেন শুরু হওয়ার প্রথম ৫ মিনিটে সূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর সকাল ১০টা ১০ মিনিটে আরও ৭ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সূচক আগের দিনের তুলনায় ২২ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩০৭ পয়েন্টে অবস্থান করে।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান সূচক সিএএসপিআই ২ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ১৪ হাজার ৯৫৫ পয়েন্টে অবস্থান করে। এর মধ্যে লেনদেন হয়েছে ৪১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। এই সময়ে ২৪টি কোম্পানির শেয়ার মূল্য বেড়েছে, ১৮টির দাম কমেছে এবং ২টি কোম্পানির শেয়ার অপরিবর্তিত ছিল।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, ঈদুল ফিতর পরবর্তী কার্যদিবসে উভয় শেয়ারবাজারে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী শুরু সাধারণত ধারাবাহিক ঋণাত্মক প্রভাব কাটিয়ে ওঠার প্রাথমিক সংকেত হিসেবে ধরা হয়। এ ধরনের সূচক বৃদ্ধি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি সামগ্রিক বাজারে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তারের সম্ভাবনা রাখে।
ডিএসই ও সিএসই উভয় বাজারের সকালে লেনদেনের গতি ধীর হলেও সূচক বাড়ার ধারা দেখানোয় কার্যদিবসের অবশিষ্ট সময়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে সরলীকরণ ও বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নিয়মিত তথ্যপ্রদানে স্বচ্ছতা এবং বড় বিনিয়োগকারীদের কার্যক্রমের নজরদারি প্রয়োজন।


