রাজবাড়ীতে ফেরিঘাট দুর্ঘটনায় মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সও দুর্ঘটনার কবলে

রাজবাড়ীতে ফেরিঘাট দুর্ঘটনায় মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সও দুর্ঘটনার কবলে

সারাদেশ ডেস্ক

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনায় মৃতদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সও দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। যদিও এতে কোনো বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ২৫ মার্চ বিকেলে ঈদ শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া নাসিমা বেগম (৪০), তার অন্তঃসত্ত্বা ভাগনি আজমিরা খাতুন এবং চার বছরের শিশু আব্দুর রহমানকে বহনকারী বাসটি দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। স্থানীয় মানুষ ও উদ্ধারকারীরা দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালান। ছয় ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নির্বাচিত পরিবারের মরদেহগুলো গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার সময় কুষ্টিয়া এলাকায় সেই মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। তবে দুর্ঘটনায় কোনো যাত্রী বা পরিচারকের প্রাণহানি ঘটেনি। এ ঘটনায় উদ্ধারকর্মীরা তৎক্ষণাত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পার্বতীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল ওয়াদুদ বলেন, পুলিশ প্রশাসন শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদ্দাম হোসেন জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারের জন্য জরুরি সহায়তা হিসেবে ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে।

নির্বাহী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃতদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনার ঘটনাটি পুনরায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পরিবহন ব্যবস্থার ঘাটতির দিকে মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। ঘটনার পর এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে, বিশেষত রানা প্লাজা ধস থেকে বেঁচে ফেরার পরও নাসিমা বেগমের জীবন মর্মান্তিকভাবে শেষ হওয়ায়।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার সঠিক কারণ নির্ধারণে তদন্ত শুরু করেছে।

শীর্ষ সংবাদ সারাদেশ