রাজনীতি ডেস্ক
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) চরমোনাই দরবারে মাহফিলে অংশগ্রহণ করেছে। দলটি এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নেতৃত্বে চরমোনাই পৌঁছায়।
প্রাতঃকালের ফজর নামাজের পর চরমোনাই পীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের বয়ান শুনেছেন দলটি। বয়ান শেষ হওয়ার পর প্রতিনিধি দল সংক্ষিপ্ত ঘরোয়া মতবিনিময়ে অংশগ্রহণ করেছে।
মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, যুগ্ম সদস্য সচিব ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, কেন্দ্রীয় সংগঠক ও ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান, কেন্দ্রীয় সদস্য হামজা মাহবুব, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রিফাত রশীদ, ছাত্রনেতা ও সাবেক ডাকসু ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদের এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা যোবায়ের হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ জানান, এনসিপি প্রতিনিধি দল সারাদিন চরমোনাইতে অবস্থান করবে এবং বাদ জোহর চরমোনাই মাহফিলের মূল স্টেজে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখবে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সংবাদদাতাদের তথ্য অনুযায়ী, চরমোনাই দরবারে এমন রাজনৈতিক প্রতিনিধি দলের উপস্থিতি ধর্মীয় কর্মসূচির পাশাপাশি রাজনৈতিক সংযোগ এবং বিভিন্ন দলীয় নেতাদের মধ্যে মতবিনিময়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মাহফিলে অংশগ্রহণকালে অংশগ্রহণকারীরা মূলত পীরের বয়ান থেকে শিক্ষামূলক ও নৈতিক দিকগুলো গ্রহণ এবং দলের বিভিন্ন নীতি ও কার্যক্রমের বিষয়ে আলোচনা করেন।
এনসিপি প্রতিনিধিদের উপস্থিতি স্থানীয় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে নজরকাড়া হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলো এই ধরনের ধর্মীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে সমসাময়িক রাজনৈতিক ইস্যু এবং জনমত যাচাই করার পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংযোগ গড়ে তোলার চেষ্টা করে।
চরমোনাই মাহফিল দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মিলনস্থল হিসেবে পরিচিত। এখানে অংশগ্রহণকারীরা প্রাত্যহিক ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি নানামুখী আলোচনা ও মতবিনিময়েও অংশ নেন, যা স্থানীয় সমাজে রাজনৈতিক ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজকের মাহফিলে অংশগ্রহণ করা নেতারা চরমোনাইতে অবস্থানকালীন সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যু নিয়ে পর্যায়ক্রমে আলোচনা চালাবেন এবং স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।


