জাতীয় ডেস্ক
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বলেছেন, দেশে কোনো ধরনের তেলের সংকট নেই এবং তেলের আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, সরকার ইতিমধ্যেই আগামী তিন মাসের জন্য তেলের সাপ্লাই পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন টাঙ্গাইল শহরের মাহমুদুল হাসান চাঁদ বাজার পরিদর্শনের সময়। তিনি বলেন, সরকারি পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে সন্ধ্যা ৬টার পর বাজার বন্ধ রাখা এবং মন্ত্রী ও সচিবদের ব্যয় কমিয়ে আনা, যা জ্বালানি সংরক্ষণে সহায়ক হবে।
এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে শুধু উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি শোনা গেছে, তবে বাস্তবে পর্যাপ্ত উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি। মাঠ পর্যায়ে কাজ করার সময় তিনি দৃশ্যমানভাবে উন্নয়নের প্রকৃত অবস্থা বুঝতে পেরেছেন।
তিনি জানান, টাঙ্গাইলের পার্ক বাজারের রাস্তা ও বাজারের উন্নয়নের জন্য জেলা স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। প্রাপ্ত চূড়ান্ত অনুমোদনের পর জরুরি ভিত্তিতে এসব উন্নয়ন কাজ শুরু করা হবে।
পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামান এবং জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মকর্তা। এই কার্যক্রম স্থানীয় পর্যায়ে অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বাজার ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, চলমান তেলের সরবরাহ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী রাখার পাশাপাশি ভবিষ্যতের সম্ভাব্য চাহিদা পূরণের জন্য পর্যাপ্ত মজুদ এবং লগিস্টিক সাপোর্ট নিশ্চিত করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপগুলোর মাধ্যমে বাজারে তেলের অভাবের সম্ভাবনা প্রতিহত করার পাশাপাশি সাধারণ জনগণের দৈনন্দিন চাহিদা নির্বিঘ্নে পূরণ নিশ্চিত করা হবে।
টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পার্ক বাজার ও চাঁদ বাজারে রাস্তা উন্নয়ন ও অবকাঠামোগত সংস্কারের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম সুবিধাজনক হবে এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় সুসংগতি বজায় থাকবে।
এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর এই পরিদর্শন ও মন্তব্য বাজার সরবরাহ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, জ্বালানি সংরক্ষণ উদ্যোগ এবং স্থানীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতার বিষয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছে।


