যুগপৎ আন্দোলনের শরিক নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ আজ

যুগপৎ আন্দোলনের শরিক নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ আজ

রাজনীতি ডেস্ক

সরকার পতনে যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই সৌজন্য সাক্ষাত ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় থাকা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় ও আলোচনার লক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, অনুষ্ঠানে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর দেড় শতাধিক নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নেতাদের কাছে ইতোমধ্যে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই আয়োজনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরাও উপস্থিত থাকবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক বড় কোনো বৈঠক। সরকার গঠনের দীর্ঘ সময় পর আয়োজিত এই নৈশভোজকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে শরিকদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সমীকরণ ও কৌশল নির্ধারণে এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মূলত সরকার ও শরিক দলের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরবর্তী পরিস্থিতি ও চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে শরিকদের মনোভাব জানার চেষ্টা করবেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে আন্দোলনে শরিক দলগুলোর অবদান ও বর্তমান জাতীয় সংকট নিরসনে তাদের পরামর্শ গ্রহণই এই বৈঠকের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল।

বর্তমানে জাতীয় রাজনীতিতে একটি স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখা এবং শরিকদের আস্থায় রাখা বর্তমান সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ। সেই প্রেক্ষিতে, এই নৈশভোজ ও মতবিনিময় সভাটি রাজনৈতিক সমঝোতা এবং ভবিষ্যতে ঐক্যবদ্ধ পথচলার বার্তা প্রদানের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৈঠকটি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হবে। এতে অংশগ্রহণকারী নেতারা দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং গণতন্ত্র শক্তিশালীকরণের বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করার সুযোগ পাবেন বলে জানা গেছে। সরকার গঠনের পর শরিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই সরাসরি সংলাপে দেশের চলমান উন্নয়ন এজেন্ডা এবং রাজনৈতিক এজেন্ডাগুলো আরও স্বচ্ছ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজনীতি শীর্ষ সংবাদ