অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
দেশের প্রতিটি সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্রকে জনপ্রিয় করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। এর অংশ হিসেবে নাটোরের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে বিশেষ অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সরকার। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি নাটোরের উত্তরা গণভবন, মিনি কক্সবাজার খ্যাত হালতি বিল ও ঐতিহাসিক রাণী ভবানী রাজবাড়ি পরিদর্শন শেষে এ সংক্রান্ত কর্মপরিকল্পনা ব্যক্ত করেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, পর্যটন খাতের সার্বিক প্রসারে সারাদেশে ১ হাজার ৪৯৮টি সম্ভাবনাময় পর্যটন স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব স্থানকে সমন্বিত পর্যটন হাবে রূপান্তর করা হবে। কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়নই নয়, পর্যটকদের নিরাপত্তা, মানসম্মত আবাসন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতকরণকে এই হাব কাঠামোর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নাটোরের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে কেন্দ্র করে বিশ্বমানের পর্যটন সুবিধা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের পর্যটন বিষয়ক নীতিমালার আলোকে স্থানীয় অর্থনীতি চাঙ্গা করা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশীয় সংস্কৃতির পরিচিতি বৃদ্ধিই এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। চিহ্নিত পর্যটন স্পটগুলোর ধাপে ধাপে আধুনিকায়ন নিশ্চিত করতে পর্যটন বোর্ড ও স্থানীয় প্রশাসন যৌথভাবে পর্যবেক্ষণ পরিচালনা করবে।
পরিদর্শনকালে নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান, নাটোর জেলা পরিষদের প্রশাসক রহিম নেওয়াজ এবং নাটোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবুল হায়াত উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে সরকারের এই মাস্টারপ্ল্যান কার্যকর করার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে।


