অসহায় ফুটবল বাংলাদেশের, প্রথমার্ধেই হজম ৭ গোল

অসহায় ফুটবল বাংলাদেশের, প্রথমার্ধেই হজম ৭ গোল

বাংলাদেশের জন্য লড়াইটা যে ‘অসম’ এটি আগেই জানা ছিল। তবে সমর্থকদের প্রত্যাশা ছিল অন্তত ভালো ফুটবল উপহার দেবে বাংলাদেশ। কিন্তু প্রথমার্ধে একরাশ হতাশায়ই উপহার দিলেন ফুটবলাররা। লড়াই তো দূরে থাকা, বাংলাদেশ যেন নিরব আত্মসমর্পন করল।

আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) চীনের নাগাই স্টেডিয়ামে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধ শেষে ৭-০ গোলে পিছিয়ে বাংলাদেশ।

ম্যাচের শুরু থেকেই ছন্নছাড়া ফুটবল খেলে বাংলাদেশ। লক্ষ্যহীন পাস, ডিফেন্সের ভুল, গোলরক্ষকের অসহায় আত্মসমর্পন, এরপর অকল্পনী হাস্যকর গোলহজম– এসবই ছিল প্রথমার্ধে বাংলাদেশের খেলা চিত্র। প্রথমার্ধের বেশির ভাগ সময় নিজেদের অর্ধ থেকে বল ক্লিয়ার করতেই সময় গেছে বাংলাদেশের।

ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই একবার বাংলাদেশের জালে বল জড়িয়েছিল উত্তর কোরিয়া। তবে অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল করেন ভিডিও অ্যাসিস্টেন্ট রেফারি (ভিএআর)। সেটি বাতিল হলেও প্রথম ১২ মিনিটেই তিন গোলহজম করে বাংলাদেশ। ২০ মিনিটের মধ্যে সেটি দাঁড়ায় ৪-০ তে।

এর মধ্যে দ্বিতীয় গোলটি ছিল হাস্যকর। শর্ট কর্নার থেকে বল পেয়ে বক্সের মধ্যে ক্রস বাড়ায় উত্তর কোরিয়া। সেটি ডিফেন্ডার আফঈদা খন্দকারের নাগালেই ছিল। ক্লিয়ার করার জন্য পাঁ-ও বাড়িয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কি মনে করে আবার পাঁ নামিয়ে নেন তিনি। গোলরক্ষক মিলি আক্তারও দাঁড়িয়েছিলেন নিজের জায়গায়, দূরের পোস্ট দিয়ে বল জড়ায় জালে।

তৃতীয় গোলটি হয় গোলরক্ষক মিলির পায়ের ফাঁক গলে। তিনি যেন নির্বিকার। পুরো ম্যাচে ডিফেন্সের ভুল তো ছিলই। তবে গোলরক্ষক মিলিকেও দেখা যায়নি নিজের ছন্দে। তার শারীরি ভাষায় স্পষ্ট ফুঁটেছিল একধরনের ভয়। পুরো ম্যাচে একটিও ব্যক্তিগত নৈপূণ্য দেখাতে পারেননি তিনি।

ম্যাচের ১৮ মিনিটের মধ্যেই ৪ গোল হজম করে বাংলাদেশ। এরপর ২৩তম মিনিটে ডিফেন্সে পরিবর্তন আনতে বাধ্য হন কোচ বাটলার। অর্পিতা বিশ্বাসকে বসিয়ে মাঠে নামান শিউলি আজিমকে। তিনি মাঠে নামার পর রক্ষণে কিছুটা শক্তি ফেরে বাংলাদেশের।

তবে শেষদিকে আবারও একের পর এক ভুল ফুটবল খেলে বাংলাদেশ। ডিফেন্সের ভুলে শেষ ১০ মিনিটে হজম করে আরও ৩টি গোল। কোরিয়ার কোনো ফুটবলারকে যেন ঠিকমতো মার্কই করতে পারছিল না বাংলাদেশের ডিফেন্ডাররা।

খেলাধূলা