‘জিনিসপত্রের দাম এখন মোটামুটি স্বাভাবিক। তবে সামনের সপ্তাহে কী হয়, সেটি দেখার বিষয়। রোজা শুরু হলে তো ব্যবসায়ীরা বেতাল হয়ে যায়।’ গতকাল বুধবার রাজধানীর মহাখালী কাঁচাবাজারে সবজি কেনার পর নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে সমকালের কাছে এভাবেই খেদোক্তি প্রকাশ করেন বেসরকারি চাকরিজীবী রিয়াজ হাসান। ভোজ্যতেল নিয়ে দুর্দশার কথা জানালেন রহিমা সুলতানা। ক্ষুব্ধ কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘মহল্লায় না পেয়ে কারওয়ান বাজারে আইলাম। আট-দশটা দোকানে খুঁজেও তেল পাইলাম না। এই তেল গেল কই?’
রোজার আগে নিত্যপণ্যের বাজারে গিয়ে রিয়াজ আর রহিমার মতো অনেক ক্রেতাই নানামুখী প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন। প্রতিবছর রোজার আগমুহূর্তে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সরবরাহ কমে যাওয়ার ছুতায় পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন। এবার বাজার কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও মনের ভেতর জমে থাকা পুরোনো ভয় কাটছে না। রোজা শুরুর পরপরই কিছু পণ্যের সরবরাহে ঘাটতি ও দাম বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা করছেন কেউ কেউ। যদিও এ বছর ভরপুর ফলনের কারণে পানির দরে কেনা গেছে সবজি। ফলে অন্যসব পণ্যের দরও কিছুটা নাগালে। তবে রোজার আগের এই স্বস্তি একাই কেড়ে নিয়েছে সরবরাহ সংকটে পড়া ভোজ্যতেল।
তবে বাজারে পণ্যের দাম একেবারে বাড়ছে না, তেমনটা নয়। এ সপ্তাহে কিছুটা মাথাচাড়া দিয়েছে ব্রয়লার মুরগি, ছোলা, বেগুন, লেবু, শসা ও বিদেশি ফল। এগুলোর বেশির ভাগই ইফতারির পণ্য।বিস্তারিত