নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সাহস পেয়েছি জনগণের সমর্থন ও সহযোগিতার মাধ্যমে :  আসিফ মাহমুদ

নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সাহস পেয়েছি জনগণের সমর্থন ও সহযোগিতার মাধ্যমে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় ডেস্ক

ঢাকা-১০ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেওয়ার পরই আসিফ মাহমুদ নির্বাচনী ফান্ড ও ক্যাম্পেইন পরিকল্পনা সম্পর্কেও তথ্য প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি জানান, নির্বাচনে অংশ নিতে যথেষ্ট অর্থের প্রয়োজন হলেও ব্যক্তিগতভাবে তার তা ছিল না। তবে অস্ট্রেলিয়ায় প্রবাসী এক নাগরিকের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা অনুদান এবং জনগণের সহযোগিতা তার জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করেছে।

আসিফ মাহমুদ জানিয়েছেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের আওয়াজ সংসদ পর্যন্ত পৌঁছানো জরুরি’ বলে তিনি মনে করেন। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সাহস পেয়েছিলেন জনগণের সমর্থন ও সহযোগিতার মাধ্যমে। সাবেক উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, জনগণের সমর্থনই তার একমাত্র ভরসা।

নির্বাচনী ক্যাম্পেইন সংক্রান্ত তথ্যও তিনি প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়েছিল এবং ইতিমধ্যেই ৬২৮৪ জন আবেদন করেছেন, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ ঢাকা-১০ আসনের বাসিন্দা। নির্বাচনী প্রচারণার পরবর্তী ধাপ দ্রুত নেওয়া হবে এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করা হবে।

রাজনীতিবিদ হিসেবে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার কর্মজীবন মূলত প্রশাসনিক ও সমন্বয়মূলক দায়িত্বের মাধ্যমে গঠিত। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে তার অভিজ্ঞতা নির্বাচনী প্রচারণা ও নির্বাচনী কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ঢাকা-১০ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তার অংশগ্রহণ স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

নির্বাচনী ফান্ড সংগ্রহ ও স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হওয়ায় আসন্ন নির্বাচনে তার কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়া, জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ ও সমর্থনের ওপর নির্ভরতা তার প্রচারণার অন্যতম মূল কৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই প্রচেষ্টা নির্বাচনী মাঠে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে তার অবস্থান ও প্রভাবের প্রতিফলন ঘটাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঢাকা-১০ আসনটি রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন এলাকা হিসেবে পরিচিত। এখানে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনগণের প্রত্যাশা নির্বাচন ফলাফলের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আসিফ মাহমুদ সজীবের অংশগ্রহণ এলাকার রাজনীতিতে নতুন দিশা প্রদান করতে পারে এবং ভোটারদের নির্বাচনী আচরণে তা গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

এছাড়া, নির্বাচনী প্রচারণা ও ফান্ডিং প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা তার প্রচারণার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়া আরও অংশগ্রহণকারী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাতীয় শীর্ষ সংবাদ