১১ দলীয় জোট আগাম নির্বাচনে ‘আজাদী’ আন্দোলন চালিয়ে যাবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১১ দলীয় জোট আগাম নির্বাচনে ‘আজাদী’ আন্দোলন চালিয়ে যাবে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

 

রাজনীতি ডেস্ক

ঢাকা-৮ আসনের জোট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ১১ দলীয় জোট বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে এবং পরাধীনতার অবসান ঘটাতে লড়াই অব্যাহত রাখবে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৮টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পাটওয়ারী এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দেশের সামনে দুটি পথ খোলা ছিল—‘আজাদীর জোট’ ও ‘গোলামীর জোট’। তিনি যুক্তি দেন, দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি লক্ষ্য করলে দেখা গেছে, যারা দেশের অর্থ পাচার এবং জনগণের ক্ষতি করেছে, তারা বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে সংযুক্ত হয়ে ক্ষমতার প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করছে। সেই প্রেক্ষাপটে ১১ দলীয় জোটকে দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য নির্বাচনমুখী আন্দোলনের একটি মাধ্যম হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।

পাটওয়ারী বলেন, শহীদ ওসমান হাদির বিচার নিশ্চিত করা এবং হাদির যে ‘আজাদীর লড়াই’ শুরু করেছিলেন, তা শেষ করা এখন প্রধান কর্তব্য। তিনি জানান, ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের পর তাঁর আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে আজাদী পদযাত্রা নতুনভাবে শুরু করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি রমনা, শাহবাগ, মতিঝিল ও শাহজাহানপুরসহ ঢাকা-৮ এলাকার জনগণকে আহ্বান জানান যে, কোনো চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যক্রম বা দখলদারিত্ব হলে তা প্রতিরোধ করতে স্থানীয় জনগণ সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।

নির্বাচনি আচরণবিধি প্রসঙ্গে পাটওয়ারী বলেন, ২১ জানুয়ারির আগে আজাদী যাত্রায় কোনো প্রতীক প্রদর্শন বা ভোট প্রার্থনার কার্যক্রম থাকবে না। আচরণবিধি প্রত্যাহারের পর নিয়ম মেনে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো হবে। এছাড়া তিনি প্রশাসনকে দলীয় প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে জনগণের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত না হলে গণতান্ত্রিক সংগ্রাম আরও জোরদার হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

এই পদযাত্রা ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ১১ দলীয় জোট নির্বাচনী সময়ে জনগণকে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি দেশের স্বাধীনতা ও ন্যায়ের প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের পরিকল্পনা ও দৃষ্টিভঙ্গি পুনঃপ্রকাশ করেছে।

রাজনীতি শীর্ষ সংবাদ