জাতীয় ডেস্ক
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং শনিবার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের আহ্বান জানিয়ে দ্বিতীয় ফটোকার্ড প্রকাশ করেছে। ফটোকার্ডটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা হয়েছে এবং এতে লেখা রয়েছে, ‘‘স্বপ্নের বাংলাদেশ বাস্তবে গড়ার জন্য ‘হ্যাঁ’-তে সিল দিন।’’
প্রেস উইং জানিয়েছে, গণভোটের প্রচারণার অংশ হিসেবে ১১ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে মোট আটটি ফটোকার্ড প্রকাশ করা হবে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো নাগরিকদের মধ্যে গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করা। গত রোববার গণভোট ২০২৬-এর প্রথম ফটোকার্ড প্রকাশ করা হয়েছিল।
এদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে গণভোট সংক্রান্ত জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায় মাঠপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। উদ্দেশ্য হলো স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের মধ্যে গণভোট সম্পর্কিত তথ্য ও ইতিবাচক ধারণা পৌঁছানো।
প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে গণভোটের গুরুত্ব, ভোট প্রদানের প্রক্রিয়া এবং নাগরিকদের দায়িত্ব সম্পর্কে ধারণা প্রদান। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, এই ধরনের উদ্যোগ তৃণমূল পর্যায়ে ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক হবে।
প্রেস উইং সূত্রে জানা গেছে, প্রকাশিত ফটোকার্ডগুলো বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেওয়া হবে, যাতে দেশব্যাপী জনগণ সহজে এগুলোতে 접근 করতে পারে। এছাড়া, গণভোট সংক্রান্ত তথ্যসমূহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাশাপাশি স্থানীয় কমিউনিটি কেন্দ্র ও সরকারি অফিসেও প্রদর্শিত হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রচারণা সরকারের পক্ষ থেকে গণভোটকে সফলভাবে সম্পন্ন করার পাশাপাশি নাগরিকদের রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করার একটি প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এছাড়া, মাঠপর্যায়ের প্রশিক্ষণ ও স্থানীয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভোটে অংশগ্রহণের হারও বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষকরা জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিনে আরও কয়েকটি ফটোকার্ড প্রকাশ করা হবে, যা বিভিন্ন বয়স ও সামাজিক সম্প্রদায়ের মানুষদের লক্ষ্য করে তৈরি। এতে গণভোটের বিষয়ে নাগরিকদের আরও স্বচ্ছ ও প্রাঞ্জল ধারণা তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গণভোট ২০২৬-এর প্রস্তুতি সংক্রান্ত এই প্রচারণা এবং সচেতনতামূলক উদ্যোগ দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।


