রাজনীতি ডেস্ক
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীবকে সমর্থন জানিয়ে ঢাকা-১৮ আসন থেকে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আশরাফুল হক।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে অধ্যক্ষ আশরাফুল হক নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দীর্ঘ সময় ধরে ঢাকা-১৮ আসনের প্রতিটি এলাকায় মানুষের সঙ্গে তিনি নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন এবং এলাকার জনগণের সুখ-দুঃখে অংশগ্রহণ করে আসছিলেন। এসময় তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের আস্থা ও ভালোবাসার কারণে তিনি সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে কার্যক্রম চালিয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আশরাফুল হক বলেন, সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহত্তর জোট ও ঐক্যের স্বার্থে ঢাকা-১৮ আসনটি এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদীবের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। তিনি তার ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দেশ ও ইসলামের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছেন এবং এই সিদ্ধান্তকে সাদরে গ্রহণ করেছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিজয় অর্জনের জন্য রাজনৈতিক জোটে ঐক্যবদ্ধ থাকা অপরিহার্য। তিনি এলাকার মানুষদের অনুরোধ করেছেন, যেভাবে আগে তার পাশে ছিলেন, ঠিক সেইভাবে জোটের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদীবের পক্ষে সমর্থন দিতে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে জোটের সমন্বয় ও শক্তি প্রদর্শনের কৌশলের অংশ। জোটের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখা এবং ভোটের বিভাজন কমানো নির্বাচনী ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। এনসিপি ও জামায়াতের এই সমন্বয় এলাকায় প্রার্থীর প্রতিযোগিতা ও ভোটের ধারা কেমন প্রভাব ফেলবে, তা আসন্ন নির্বাচনে স্পষ্ট হবে।
এদিকে, ঢাকা-১৮ আসনটি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। এখানে প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে দলীয় ঐক্য, স্থানীয় জনপ্রিয়তা ও ভোটারদের মনোভাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আশা করা যাচ্ছে, জোটের সমন্বিত প্রচেষ্টা ভোটের মাঠে প্রভাব ফেলবে এবং নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও কার্যকর ও কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটর করা সম্ভব হবে।
আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ঢাকা-১৮ আসনের এই জোটবদ্ধ প্রার্থিতা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টিকোণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা স্থানীয় ভোটারদের মনোভাব ও ভোটের ফলাফলের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।


