সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীকে সমর্থনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীকে সমর্থনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার

রাজনীতি ডেস্ক
সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা) আসনে জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী প্রফেসর ড. শায়খ আব্দুস সামাদ জাতীয় সংসদ সদস্য পদে দাখিল করা তাঁর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। কেন্দ্রীয় সংগঠনের নির্দেশনার আলোকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মুঠোফোনে নিশ্চিত করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দেওয়া এক বিবৃতিতে মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ জানান, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হিসেবে মুফতি আব্দুর রউফ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ঐক্যের বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে ওই প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে তিনি আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কথা জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, রাজনৈতিক ঐক্য ও সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও অবস্থান নির্ধারণ করা হচ্ছে বলেও সেখানে উল্লেখ করা হয়। দলীয় কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় স্থানীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক সমন্বয় ও নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ-৩ আসনটি রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা গেছে। চলমান নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা ও আসনভিত্তিক সমর্থন বিন্যাস গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অংশ হিসেবে প্রার্থিতা সমন্বয় করার উদ্যোগকে ওই প্রেক্ষাপটে দেখা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসনভিত্তিক প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও সমর্থন ঘোষণার মাধ্যমে নির্বাচনী কৌশলে পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে একই রাজনৈতিক জোটের মধ্যে একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোট বিভাজনের আশঙ্কা তৈরি হয়। সে কারণে জোটভুক্ত দলগুলোর মধ্যে সমন্বিত সিদ্ধা

সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীকে সমর্থনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার
রাজনীতি ডেস্ক
সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা) আসনে জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী প্রফেসর ড. শায়খ আব্দুস সামাদ জাতীয় সংসদ সদস্য পদে দাখিল করা তাঁর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। কেন্দ্রীয় সংগঠনের নির্দেশনার আলোকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মুঠোফোনে নিশ্চিত করেছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দেওয়া এক বিবৃতিতে মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ জানান, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হিসেবে মুফতি আব্দুর রউফ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ঐক্যের বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে ওই প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে তিনি আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কথা জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, রাজনৈতিক ঐক্য ও সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও অবস্থান নির্ধারণ করা হচ্ছে বলেও সেখানে উল্লেখ করা হয়। দলীয় কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় স্থানীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক সমন্বয় ও নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ-৩ আসনটি রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা গেছে। চলমান নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা ও আসনভিত্তিক সমর্থন বিন্যাস গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অংশ হিসেবে প্রার্থিতা সমন্বয় করার উদ্যোগকে ওই প্রেক্ষাপটে দেখা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসনভিত্তিক প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও সমর্থন ঘোষণার মাধ্যমে নির্বাচনী কৌশলে পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে একই রাজনৈতিক জোটের মধ্যে একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোট বিভাজনের আশঙ্কা তৈরি হয়। সে কারণে জোটভুক্ত দলগুলোর মধ্যে সমন্বিত সিদ্ধান্ত নির্বাচনী ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তকে সেই সমন্বয় প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

এদিকে ঘোষিত সিদ্ধান্তের পর স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচনী প্রস্তুতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের পক্ষে মাঠপর্যায়ে প্রচার ও সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনী বিধি ও আইন মেনে প্রচারণা পরিচালনার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জোটভিত্তিক সমঝোতা ও প্রার্থিতা সমন্বয় ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে। এতে একদিকে যেমন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বোঝাপড়া স্পষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে ভোটারদের মধ্যেও নির্বাচনী বার্তা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে প্রভাব পড়তে পারে।

সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার ও সমর্থন ঘোষণার এই সিদ্ধান্ত এখন নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমার মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হলে প্রার্থী তালিকায় চূড়ান্ত পরিবর্তন আসবে। এর ফলে ওই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র নতুনভাবে নির্ধারিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ন্ত নির্বাচনী ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তকে সেই সমন্বয় প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

এদিকে ঘোষিত সিদ্ধান্তের পর স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচনী প্রস্তুতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের পক্ষে মাঠপর্যায়ে প্রচার ও সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনী বিধি ও আইন মেনে প্রচারণা পরিচালনার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জোটভিত্তিক সমঝোতা ও প্রার্থিতা সমন্বয় ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়ে উঠেছে। এতে একদিকে যেমন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বোঝাপড়া স্পষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে ভোটারদের মধ্যেও নির্বাচনী বার্তা পৌঁছানোর ক্ষেত্রে প্রভাব পড়তে পারে।

সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার ও সমর্থন ঘোষণার এই সিদ্ধান্ত এখন নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমার মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হলে প্রার্থী তালিকায় চূড়ান্ত পরিবর্তন আসবে। এর ফলে ওই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র নতুনভাবে নির্ধারিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

রাজনীতি শীর্ষ সংবাদ