বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু জিয়ারতের মাধ্যমে

বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু জিয়ারতের মাধ্যমে

রাজনীতি ডেস্ক

বগুড়ায় বগুড়া-৬ (সদর) আসনে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় তিনি শহরের নামাজগড় গোরস্থানে নেতাকর্মীদের সঙ্গে শহীদ জুলাই যোদ্ধা রাতুলের কবর জিয়ারত করেন।

জিয়ারতে আবিদুর রহমান সোহেলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন শহর জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক আ. স. ম. আব্দুল মালেক, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক রফিকুল আলম, শহীদ রাতুলের পিতা জিয়াউর রহমান এবং অন্যান্য দলের নেতাকর্মী।

কবর জিয়ারতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আবিদুর রহমান সোহেল। তিনি জানান, ১৯৭১ সালের জুলাই আন্দোলনে অসংখ্য প্রাণের বিনিময়ে দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল এবং শহীদ রাতুলের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই জিয়ারতের মাধ্যমে তার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করা হলো। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ এই আন্দোলনে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের ভূমিকার গুরুত্ব উপলব্ধি করবে।

আবিদুর রহমান সোহেল প্রতিশ্রুতি দেন যে, আগামী নির্বাচনে জনগণ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে দলকে দেশের নীতি-নির্ধারণে অংশগ্রহণের সুযোগ দেবে। তিনি সকল প্রার্থীর সমর্থকসহ সাধারণ মানুষকে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।

জমায়াতে ইসলামী বগুড়া-৬ আসনে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছে এবং দলটি নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ আসনে প্রার্থীর মনোনয়ন দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই ধরনের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে প্রার্থীরা ঐতিহ্য এবং জনমনে সংবেদনশীল ইতিহাসের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন।

বগুড়া-৬ আসনে আগামী নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নির্বাচনী ফলাফলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বিভিন্ন দল ইতিমধ্যেই প্রচারণা কার্যক্রম শুরু করেছে এবং জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি চালাচ্ছে।

জিয়ারত ও নির্বাচনী প্রচারণার এই উদ্যোগ স্থানীয় রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন দিক নির্দেশ করতে পারে, বিশেষ করে ঐতিহাসিক ঘটনার স্মৃতিকে কেন্দ্র করে ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ করার ক্ষেত্রে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, শহীদ স্মৃতির সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করা প্রার্থীর জন্য স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে একটি মানসিক সংযোগ তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে, যা ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।

এছাড়া, এই ধরনের প্রচারণা স্থানীয় নেতাকর্মীদের সংগঠন ও একাত্মতা দৃঢ় করতে সহায়ক হতে পারে। শহীদ স্মৃতির মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রচারণা দেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে ইতিহাস এবং জনসচেতনতার সংমিশ্রণ হিসেবে দেখা যায়।

উল্লেখ্য, বগুড়া-৬ আসনে ভোটারদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা ও ইতিহাসের প্রতি সংবেদনশীলতা দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনী ফলাফলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হিসেবে বিবেচিত।

রাজনীতি শীর্ষ সংবাদ