ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের হিসাব পাল্টে দিতে পারে প্রথম ভোটাধিকার পাওয়া নতুন ভোটাররা। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুয়ায়ী, এবার নতুন ভোটার হয়েছেন মোট ৪৫ লাখ ৭১ হাজার ২১৬। এর মধ্যে পুরুষ ১৮ লাখ ৭০ হাজার ২০৩, নারী ২৭ লাখ ৭৬২ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ২৫১। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ ও গণভোটে তালিকাভুক্ত মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ এবং হিজড়া ভোটার ১ হাজার ২৩২। ভোট গ্রহণের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে ভোটের হিসাবনিকাশ। এবারের নির্বাচনে নতুন ভোটাররা যেমন ফ্যাক্টার; তেমনি ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াবেন সাড়ে ৪ কোটির বেশি তরুণ ভোটার। ক্ষমতার চাবি এবারে এই তরুণদের হাতেই। যাদের বসয় এখন ১৮ থেকে ৩৩ বছরের মধ্যে। নতুন ভোটাররাই আগামী নির্বাচনে জয়-পরাজয় নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে যাচ্ছেন। ১৮ থেকে ৩৩ বছরের এসব ভোটারের সমর্থনেই ঠিক হবে ক্ষমতায় বসবে কোন দল। তাই তরুণ ভোটারের চিন্তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন ভাবনা শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। নির্বাচনি প্রচারে অগ্রাধিকার পাচ্ছে তারুণ্যের চাওয়া-পাওয়া। তারুণ্যের ভোট টানতে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেছেন, মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ তরুণ। এই তরুণরাই এবারে ভোট দেবেন। ভোট নিয়ে তরুণদের আগ্রহ বেশি। বিগত সময় তারা ভোট দিতে পারেননি এবং তারা নতুন ভোটার। তিনি বলেন, ১৮ থেকে ৩৫ বছরের তরুণ ভোটারের সংখ্যা এক-তৃতীয়াংশ। এই তরুণ-তরুণী ভোটারের সংখ্যা এবারে ডিসাইডিং ফ্যাক্টার হবে। তারা যেদিকে বেশি ভোট দেবেন।


