স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা

স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা

 

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) রবিবার (৩১ জানুয়ারি) দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া স্বর্ণের নতুন দাম ঘোষণা করেছে। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার ৮২ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা। নতুন এই দাম রবিবার থেকে কার্যকর হবে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১২ হাজার ৫১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৯১০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির হার পরিবর্তিত হতে পারে।

এর আগে শনিবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সামঞ্জস্য করা হয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই সময় ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ১১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ১৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা ছিল।

চলতি ২০২৬ সালের মধ্যে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ইতিমধ্যেই ১৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ বার দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ৫ বার কমানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্যবৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার এবং জ্বালানি খাতের মূল্য ওঠানামা দেশের স্বর্ণের বাজারকে সরাসরি প্রভাবিত করছে।

স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি ভোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয়ের সময় নতুন মূল্য অনুযায়ী হিসাব রাখতে বাধ্য থাকবেন। এ ছাড়া, বাণিজ্যিক স্বর্ণের দাম বাড়ায় গহনার খুচরা ও পাইকারি বাজারেও সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য প্রভাবিত হতে পারে।

বাজুস নিয়মিতভাবে দেশের স্বর্ণের বাজার পর্যবেক্ষণ করে এবং আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা ও অভ্যন্তরীণ চাহিদা বিবেচনা করে দাম নির্ধারণ করে থাকে। দেশব্যাপী স্বর্ণের এই নতুন মূল্য প্রজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান ও ক্রেতাদের জন্য পূর্বাভাস হিসেবে বিবেচিত হবে।

অর্থ বাণিজ্য শীর্ষ সংবাদ