জামায়াতের আমিরের নওগাঁ সমাবেশে জনসমাগমের ব্যাপক উপস্থিতি

জামায়াতের আমিরের নওগাঁ সমাবেশে জনসমাগমের ব্যাপক উপস্থিতি

রাজনীতি ডেস্ক

জামায়েতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে নওগাঁর এটিএম মাঠে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত সমাবেশে হাজারো মানুষ অংশগ্রহণ করেছেন। সমাবেশ শুরুর আগে থেকেই মাঠটি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে প্রায় পূর্ণ হয়ে যায়। নওগাঁর বিভিন্ন প্রান্তে, বিশেষ করে শহরের প্রবেশ মুখে, দলীয় সমর্থকরা অবস্থান নেন এবং বাস, মাইক্রোবাসসহ অন্যান্য যানবাহনে শহরে প্রবেশ করে সমাবেশে যোগ দেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মাঠ ও শহরের আশপাশে সরেজমিন পরিদর্শনকালে দেখা যায়, নেতাকর্মীরা দলীয় পতাকা, দাঁড়িপাল্লা, মনোগ্রামযুক্ত টি-শার্ট, পাঞ্জাবি ও মাফলার পরিহিত অবস্থায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। মঞ্চে বক্তব্য দেন জামায়াত ও সংস্থার কেন্দ্রীয় ও জেলা শীর্ষ নেতারা।

নওগাঁর পত্নীতলা থেকে সমাবেশে যোগ দেওয়া জামায়াত কর্মী আনিসুর রহমান বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে আমিরকে টেলিভিশনে দেখেছেন এবং সরাসরি দেখতে সমাবেশে এসেছেন। আরেক নেতাকর্মী রফিকুল জানান, শহরে জামায়াতের উপস্থিতি লক্ষ্যনীয় এবং তারা আশা করেন, আগামীর বাংলাদেশে দলের প্রভাব বৃদ্ধি পাবে।

জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে দুপুর ১২টার দিকে নওগাঁর সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। এ সমাবেশ শেষে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জে জনসভায় অংশ নেন এবং এরপর রাজশাহী ও নাটোরে আরও সমাবেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের জনসমাগম নির্বাচনী প্রচারণায় দলের দৃঢ় উপস্থিতি প্রদর্শনের পাশাপাশি স্থানীয় সমর্থক ও কর্মীদের উদ্দীপনা বাড়ানোর একটি উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও নাটোরে সমাবেশগুলো দলের নির্বাচনী প্রচারণার একটি ধারাবাহিক অংশ হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

নওগাঁসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে সমাবেশে যোগদানকারী নেতাকর্মীদের সংখ্যা প্রায় হাজারের বেশি। এ সমাবেশ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের নজরে এসেছে কারণ এটি স্থানীয় রাজনৈতিক সমর্থন ও দলের জনসংযোগ কার্যক্রমের কার্যকারিতা প্রদর্শনের সুযোগ হিসেবে কাজ করে। সমাবেশের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়, যাতে জনসমাগম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়।

নওগাঁর মতো শহরে এই ধরনের সমাবেশ স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হয়। রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারা এই সমাবেশের মাধ্যমে জনমত যাচাই, সমর্থন বৃদ্ধির পাশাপাশি নির্বাচনী প্রস্তুতি ত্বরান্বিত করতে সমর্থ হন।

রাজনীতি শীর্ষ সংবাদ