আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বৃহস্পতিবার আসন্ন বৈঠকে গাজা পুনর্গঠন ও মানবিক কার্যক্রমের জন্য বোর্ড অব পিসের সদস্য রাষ্ট্রগুলো ৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করবে। এই তথ্য দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় রবিবার, নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্টে ট্রাম্প জানান, সদস্য রাষ্ট্রগুলো ফিলিস্তিনি উপত্যকায় জাতিসংঘ অনুমোদিত স্থিতিশীলতা বাহিনী এবং স্থানীয় পুলিশের জন্য হাজার হাজার কর্মী মোতায়েনের অঙ্গীকার করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটনে বোর্ডের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে। বৈঠকে ২০টিরও বেশি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, বোর্ড অব পিস ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থায় পরিণত হবে। তিনি নিজেও সংস্থায় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে গাজা পুনর্গঠনের জন্য কোন কোন সদস্য দেশ অর্থ দিচ্ছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বোর্ড অব পিসের সদস্য হিসেবে তুরস্ক, মিসর, সৌদি আরব, কাতার এবং ইসরায়েলসহ ইন্দোনেশিয়া মতো উদীয়মান দেশগুলো যোগ দিয়েছে। অন্যদিকে, বৈশ্বিক পরাশক্তি এবং ঐতিহ্যবাহী পশ্চিমা মার্কিন মিত্ররা তুলনামূলকভাবে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ ফিলিস্তিনি উপত্যকায় স্থিতিশীলতা এবং পুনর্গঠন প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করতে পারে। তবে বিভিন্ন দেশের অর্থায়ন ও রাজনৈতিক স্বার্থের ভারসাম্য রক্ষা করা এই প্রকল্পের কার্যকারিতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মানবাধিকার ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংগঠনগুলো ইতোমধ্যেই বোর্ড অব পিসের কার্যক্রমের উপর নজর রাখার পাশাপাশি গাজার জনগণকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের আহ্বান জানিয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবারের বৈঠক থেকে উদ্ভূত প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন হলে ফিলিস্তিনি জনগণের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং পরবর্তী পুনর্গঠন কর্মসূচিতে তা উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।


