জাতীয় ডেস্ক
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মোট ২৪ জনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা আজ মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ গ্রহণ করবেন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
নতুন মন্ত্রিপরিষদে প্রতিমন্ত্রী পদে মনোনীতরা হলো এমপি এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, ফরহাদ হোসেন আজাদ, শামা ওবায়েদ, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, আজিজুল বারি হেলাল, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন পুতুল, ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ, আলী নেওয়াজ খৈয়াম এবং আমিনুল হক (টেকনোক্রেট)।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই নতুন প্রতিমন্ত্রীদের নিয়োগ বাংলাদেশের কার্যকর প্রশাসনিক কাঠামোয় ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে পারে। সরকার একটি কার্যকর ও সম্প্রসারিত নীতি বাস্তবায়নের জন্য প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্বপ্রাপ্ত করেছে, যা সরকারের প্রতিদিনকার প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার পাশাপাশি জনগণের কাছে সরকারি সেবার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করবে।
প্রতিমন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের সরকারী কার্যক্রমে আনুষ্ঠানিকভাবে অংশগ্রহণ শুরু হবে। নতুনদের মধ্যে কয়েকজন টেকনোক্রেট ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তি, যারা বিশেষ নীতি ও প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
বাংলাদেশের সরকার কাঠামোতে প্রতিমন্ত্রীরা সচরাচর মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক ও নীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেন। তারা মন্ত্রিপরিষদের মূল নীতিমালার সঙ্গে সমন্বয় রেখে নির্দিষ্ট দফতর বা প্রকল্পের তদারকি করবেন। এর ফলে মন্ত্রিপরিষদ কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও দ্রুততা বৃদ্ধি পেতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন প্রতিমন্ত্রীদের নিয়োগ রাজনৈতিক ভারসাম্য ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জনসেবা সহজলভ্য করার লক্ষ্যকে সুনিশ্চিত করতে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। শপথ গ্রহণের পর তারা যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন এবং সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবেন।
নতুন প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে টেকনোক্রেটের অন্তর্ভুক্তি বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়, যা প্রযুক্তি ও দক্ষতার সংমিশ্রণ দ্বারা প্রশাসনিক কার্যক্রমে আরও আধুনিকীকরণ আনবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য হলো দক্ষতা, জবাবদিহিতা এবং পরিষেবা সরবরাহের মান বৃদ্ধি করা।


