জাতীয় ডেস্ক
আজ রবিবার সকাল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাড়ি থেকে সচিবালয়ে যাওয়ার জন্য বের হন। অন্য দিনগুলোর মতো এই কার্যদিবসেও সকাল ৮টা ৪২ মিনিটে গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে বের হন প্রধানমন্ত্রী, তবে আজ তার বক্তব্যে দেখা যায় কার্যদিবসের নিয়মিত দৃশ্যপটের ব্যতিক্রম। উপস্থিত ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এবং নিরাপত্তা সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি মুচকি হেসে তিন শব্দের সংক্ষিপ্ত বাক্য বললেন—“চলেন যুদ্ধে যাই।”
প্রধানমন্ত্রীর এ মন্তব্য, যদিও সংক্ষিপ্ত, তার দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড এবং দেশ পরিচালনার প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত করছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী দেশ পরিচালনার কাজকে প্রতিদিনের সংগ্রামের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
সচিবালয়ে প্রবেশের সময় সকাল সাড়ে ৯টা, এবং আজও তার কর্মসূচিতে বিভিন্ন বৈঠক রয়েছে। তার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী-এর সঙ্গে বৈঠক অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও তার সূচিতে অন্যান্য প্রশাসনিক বৈঠক ও সরকারি কাজকর্ম অন্তর্ভুক্ত।
প্রধানমন্ত্রীর গৃহ থেকে বের হওয়ার প্রক্রিয়া প্রতিদিনের মতোই সম্পন্ন হয়; ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এবং নিরাপত্তা সদস্যরা প্রস্তুত থাকেন, এবং ঠিক সময়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্য সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। তবে আজকের সংক্ষিপ্ত, কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য উপস্থিত কর্মকর্তাদের নজরে পড়েছে, যা প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক দেশের দায়িত্ব এবং প্রশাসনিক কাজের গুরুত্বকে তুলে ধরেছে।
এই ধরনের সংক্ষিপ্ত মন্তব্য প্রশাসনিক কর্মীদের মধ্যে দিন শুরু করার উদ্দীপনা সৃষ্টি করতে পারে এবং সরকারী কর্মকাণ্ডে মনোযোগের মাত্রা বৃদ্ধিতে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর দৈনন্দিন কার্যক্রমের সূচি, বৈঠক ও অন্যান্য দায়িত্বের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নীতি ও সিদ্ধান্ত প্রণয়নে তার সক্রিয় ভূমিকা প্রতিফলিত হচ্ছে।


