রাইড শেয়ার মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ৫ লিটার জ্বালানি তেল নির্ধারণ

রাইড শেয়ার মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ৫ লিটার জ্বালানি তেল নির্ধারণ

রাজধানী ডেস্ক

রাজধানীসহ মহানগর এলাকায় রাইড শেয়ার ভিত্তিক মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ জ্বালানি তেলের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৫ লিটার নির্ধারণ করেছে সরকার। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ (১০ মার্চ) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় রাইড শেয়ার চালককে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে। এছাড়া, প্রতিবার তেল গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী ক্রয় রশিদ বা বিলের মূল কপি জমা দিতে হবে। মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং চালকের তথ্য সংশ্লিষ্ট রাইড শেয়ারিং অ্যাপের সঙ্গে যাচাইপূর্বক তেল সরবরাহ করা হবে।

বিপিসি জানিয়েছে, দেশের জনগণের ভোগান্তি কমাতে ও জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিদেশ থেকে তেলের আমদানি অব্যাহত রয়েছে। নিয়মিতভাবে জ্বালানি তেল দেশে আনা হচ্ছে এবং ডিলারদের মাধ্যমে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে সারাদেশে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।

বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার এখনও পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেনি। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় করা যাবে না এবং সকল ভোক্তা ও ডিলারকে বিপিসির নির্দেশনা মেনে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে ৬ মার্চ সরকার সমস্ত মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক সর্বোচ্চ ২ লিটার জ্বালানি তেল গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল। নতুন নিয়মের সঙ্গে এ সীমা বৃদ্ধি পেয়ে রাইড শেয়ার চালকদের দৈনন্দিন কার্যক্রমে সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ধরনের সীমিত বরাদ্দের মাধ্যমে জ্বালানি তেলের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে। পাশাপাশি, রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া চালু থাকায় চুরি-কালোবাজারের সম্ভাবনা কমবে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, বিপিসি আগামী কয়েক সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করবে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী অতিরিক্ত তেলের বরাদ্দ বা নতুন নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। এই পদক্ষেপগুলোর মূল লক্ষ্য হলো শহরাঞ্চলে তেলের সরবরাহকে স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কার্যক্রমে ব্যাঘাত না ঘটানো।

রাজধানী শীর্ষ সংবাদ