প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল বৃহস্পতিবার খুলনা ও বাগেরহাট যাচ্ছেন। সকাল ৯টায় ঢাকা থেকে প্রথমে হেলিকপ্টারে মোংলা যাবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সেখান থেকে সড়ক পথে খুলনা যাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীর মোংলায় দুইটি এবং খুলনায় একটি নির্ধারিত কর্মসূচি রয়েছে। এছাড়া তিনি বাগেরহাট জেলা সদরে হয়রত খান জাহান আলী (রহ.) মাজার জিয়ারত করবেন। মোংলার কর্মসূচি শেষ করে সড়ক পথে প্রধানমন্ত্রী খুলনা যাবেন।
খুলনা স্টেডিয়ামে নুতন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২) এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সারা দেশে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভা অন্বেষণে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে।
এদিকে খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে নেতা-কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা উৎফুল্ল। পুরো শহরকে পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে।
জেলা স্টেডিয়াম ও তার আশ-পাশের সড়ক নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২) এর রং-বেরংয়ের ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয়েছে। শিববাড়ী মোড় থেকে রেলস্টেশনের প্রধান ফটক পর্যন্ত দেয়ালে আঁকা হয়েছে নানা গ্রাফিতি।
এসব গ্রাফিতিতে তুলে ধরা হয়েছে খুলনার ইতিহাস ও ঐতিহ্য। স্থান পেয়েছে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতিকৃতি, সুন্দরবন, রয়েল বেঙ্গল টাইগার প্রভৃতির প্রতিকৃতি।
সরজমিন দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে লাগানো সব তোরণ ও বিলবোর্ড খুলে ফেলা হয়েছে। সরিয়ে ফেলা হয়েছে নেতা-কর্মীদের লাগানো ফেস্টুন। এবারই প্রথম সরকার প্রধানের আগমনে যত্রযত্র তোরণ, ব্যানার-ফেস্টুন দেখা যাচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে পুরো খুলনা মহানগরীতে বসানো হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুলনা আসবেন সেজন্য মহানগরকে পরিচ্ছন্ন, নান্দনিক ও দৃষ্টি নন্দন করা হয়েছে। আমরা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে সাদরে অভ্যর্থনা জানাতে অপেক্ষায় আছি।'
While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

