অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক
বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও ডিজিটালাইজেশনের ওপর জোর অ্যামচেম নেতৃবৃন্দ জানান, গত কয়েক বছরে তাঁদের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে। আগামী পাঁচ বছরে আরও ৫ বিলিয়ন ডলার নতুন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ধারা বজায় রাখতে সরকার গৃহীত কর ও ভ্যাট ডিজিটালাইজেশন, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো ব্যবস্থা এবং অনুমোদনের সময়সীমা নির্ধারণসহ সাম্প্রতিক সংস্কার প্যাকেজের প্রশংসা করা হয়। তবে দীর্ঘমেয়াদি নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তাঁরা, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি করবে।
নতুন প্ল্যাটফর্ম গঠনের প্রস্তাব কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারে ‘ডিজিটাল ইকোনমি অ্যাডভাইজরি ফোরাম’ এবং ‘পাবলিক-প্রাইভেট কম্পিটিটিভনেস কাউন্সিল’ গঠনের প্রস্তাব দেয় অ্যামচেম। এই ফোরামগুলোতে সরকারি কর্মকর্তা, মার্কিন বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়। এছাড়া প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে ভবিষ্যৎ বাণিজ্যের মূল ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
সরকারের রূপকল্প ও প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অ্যামচেমের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক রূপান্তরের নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। সরকার প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, নীতির ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি সম্ভাব্য সব বিদেশি বিনিয়োগকারীকে সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাতকালে আগামী ৩০তম ইউএস ট্রেড শো-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং বিডা চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন উপস্থিত ছিলেন। অ্যামচেমের পক্ষে মেটলাইফ, ফিলিপ মরিস, এক্সিলারেট এনার্জিসহ প্রধান সদস্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।


