২০২৬ সালের সরকারি ব্যবস্থাপনার হজে অব্যয়িত ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত পাবেন চার হাজার হাজি

২০২৬ সালের সরকারি ব্যবস্থাপনার হজে অব্যয়িত ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত পাবেন চার হাজার হাজি

ধর্ম ডেস্ক
সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৬ সালের হজে অংশ নেওয়া ৪ হাজার ৩৪১ জন হাজিকে সৌদি পর্বের অব্যয়িত ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা ফেরত দেওয়া হবে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ২০২৬ সালের সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের অনুকূলে সৌদি পর্বের অব্যয়িত অর্থ ফেরত দেওয়া সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) এই তথ্য জানান। এ সময় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী জানান, হজের বিভিন্ন খাতের অব্যয়িত এই অর্থ সরাসরি সংশ্লিষ্ট হাজিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হবে। এই অর্থ লেনদেন বা বিতরণের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও স্বচ্ছ মাধ্যমেই সম্পন্ন করা হচ্ছে। এ সময় সাধারণ হাজিদের সতর্ক করে তিনি বলেন, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর বা কার্ডের তথ্য চাওয়ার মাধ্যমে কোনো চক্র প্রতারণা করার চেষ্টা করতে পারে। এ ধরনের যেকোনো প্রতারক চক্র থেকে হাজিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও কার্যকর পদক্ষেপের ফলে এ বছরের হজ ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ইতোমধ্যে ২০২৭ সালের হজের জন্য বিমান ভাড়াও কমানো হয়েছে, যা হাজিদের আর্থিক স্বস্তি দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, সৌদি আরবে অবস্থানকালে চিকিৎসা ব্যয় সংক্রান্ত বিশেষ হিসাব পর্যালোচনার পর এই অর্থ অব্যয়িত হিসেবে চিহ্নিত হয়। তবে ২৩ জন হাজির চিকিৎসায় সরকারের নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি ব্যয় হওয়ায় এবং তা তাদের স্বাস্থ্যবিমার আওতাধীন অর্থের পরিমাণ অতিক্রম করায় তারা এই অব্যয়িত অর্থ ফেরত পাওয়ার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি।
সংবাদ সম্মেলনে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার বলেন, সরকারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত সরকারি ব্যবস্থাপনার হজে প্রাক্কলিত ব্যয়ের উদ্বৃত্ত অর্থ বা অব্যয়িত অংশ নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে হাজিদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তবে বেসরকারি বা ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে পরিচালিত হজ ব্যবস্থাপনায় এই ধরনের অর্থ ফেরত দেওয়ার সুযোগ সাধারণত থাকে না। সরকারের এই উদ্যোগের ফলে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়া হাজিদের আর্থিক সাশ্রয় নিশ্চিত হয়েছে এবং হজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
ধর্ম শীর্ষ সংবাদ