প্রবাসীদের পোস্টাল ভোটিংয়ের বাংলাদেশ মডেল নিয়ে আগ্রহ নেপালের

প্রবাসীদের ভোটাধিকাদেরের ধারণা দেখে নেপাল অনুপ্রাণিত বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির নির্বাচন কমিশনার ড. রাজীব সুব্বা।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটে ভোটিং নিয়ে বাংলাদেশ মডেলে আগ্রহ প্রকাশ করেছে নেপাল নির্বাচন কমিশন। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছে নেপালের নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা।

বৃহস্পতিবার বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, “আমরা যেভাবে গত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রথমবারের মত প্রবাসে ভোটের ব্যবস্থা করেছি; তারাও তাদের প্রবাসী ভোটারদের জন্য এই পদ্ধতি চালু করতে চাচ্ছে।

“নেপাল প্রতিনিধিরা ইতোমধ্যে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল বাংলাদেশ মডেল নিয়ে জানতে। তারা গত দুদিন ধরে এটার অপারেশনাল দিক, টেকনিক্যাল দিক, অপরাপর দিক জেনেছে। ভবিষ্যতে কিছু জয়েন্ট কোলাবরেশনের ব্যাপারেও আসবে। আমাদের অভিজ্ঞতা তাদেরকে তুলে ধরেছি। আশা করি, তারা সন্তুষ্ট হয়েছে। একটা রিজিয়নাল কোলাবরেশনের খুব ভালো একটা ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।”

পরে নেপালের নির্বাচন কমিশনার ড. রাজীব সুব্বা বলেন, “প্রবাসী ভোটাধিকাদের ওসিভি ধারণা দেখে আমরা সত্যি অনুপ্রাণিত। বাংলাদেশ কমিশনের এই সফল উদ্যোগটি একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। এটি আলোচনার শেষ নয়, বরং এটি কেবল আলোচনার শুরু মাত্র। ভবিষ্যতে আমরা একই পথে একসঙ্গে এগিয়ে যাব, একে অপরের কাছ থেকে শিখব।”

আউট অব কান্ট্রি ভোটিং বা ওসিভির বাংলাদেশ মডেলটি খুবই গ্রহণযোগ্য মন্তব্য করে তিনি বলেন, “নেপালে পোস্টাল ভোটিংয়ের জন্য এ পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি প্রতিনিধি দলের নয়। তা সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এখনও এটা গবেষণার পর্যায়ে।”

নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে ইইউ

পোস্টাল ব্যালট, ভোটার শিক্ষা ও নির্বাচন ব্যবস্থার সক্ষমতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এসব বিষয়ে ইইউর সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে তথ্য দেন আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকের পর এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, “তাদের সঙ্গে বহুমাত্রিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম ছিল যেমন পোস্টাল ব্যালটের আমরা যে এক্সারসাইজটা করছি, এটা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।”

ইসির সঙ্গে যৌথ সহযোগিতা কাযক্রম চলতি বছরে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানান তিনি।

“ইউরোপিয়ান অবজারভেশন মিশন যারা এসেছিলেন, তারা যে রেকমেন্ডেশনগুলো দিয়েছেন, সেগুলো নিয়ে উনারা আর কোনোভাবে সহায়তা হতে পারেন কি না সে বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, আমরাও সাদরে সেটা গ্রহণ করেছি। উনারা যদি এক্সটেন্ডেড কোলাবোরেশনে আমাদের সাথে থাকতে চান, উই উড ওয়েলকাম দেম।”

ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট, এক্সপেরিয়েন্স লার্নিং, ভোটার এডুকেশনের মত সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো ইতোমধ্যে চিহ্নিত উল্লেখ করে আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, “আমরা আশাবাদী যে আমাদের পার্টনার অর্গানাইজেশনগুলোর কোলাবোরেশন এক্সটেন্ডেড হবে।”

চক্রব্যূহে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও খালিদীর সম্পাদকীয় মেরুদণ্ড

তৌফিক ভাইয়ের ‘উন্নাসিকতা’ ও আমাদের রুচির দারিদ্র্য

‘অদম্য-৩২’ ফুটবলকন্যার দুয়ারে এক অদম্য সম্পাদকের ছায়া

জাতীয়