জাতীয় ডেস্ক
সুস্থ, মেধাবী, সুশৃঙ্খল ও আত্মবিশ্বাসী প্রজন্ম গঠনকে সরকারের প্রধানতম অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির সমন্বিত বিকাশকে দেশের সার্বিক সমৃদ্ধির মূল ভিত্তি উল্লেখ করে তিনি ক্রীড়াকে একটি সম্মানজনক পেশা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তির কথা জানান।
রবিবার এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, খেলাধুলা কেবল বিনোদন বা শারীরিক অনুশীলনের বিষয় নয়; এটি মানবসম্পদ উন্নয়ন, জাতীয় সংহতি বৃদ্ধি এবং বিশ্বমঞ্চে দেশের মর্যাদা সমুন্নত রাখার একটি কার্যকর মাধ্যম। তৃণমূল পর্যায় থেকে উদীয়মান ক্রীড়াবিদ অন্বেষণ ও আন্তর্জাতিক মানের প্রতিভা তৈরিতে সরকার বহুমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
গত ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে শুরু হওয়া ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় দেশজুড়ে আটটি ইভেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচির প্রথম আসরের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ ও দীর্ঘমেয়াদি নিবিড় অনুশীলনের আওতায় আনাই এ পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্রীড়াক্ষেত্রকে আধুনিক, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, চিহ্নিত প্রতিভাবানদের দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ প্রদান, পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিতকরণ এবং বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার সুবিধা প্রদান করা হবে।
প্রশাসন ও ক্রীড়া নীতিতে যোগ্যতার প্রাধান্য নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে তিনি জানান, আগামী ২০২৬-২৭ মৌসুমে এই কর্মসূচিতে টেবিল টেনিস ও ভলিবল অন্তর্ভুক্ত হয়ে মোট ইভেন্ট সংখ্যা ১০-এ উন্নীত হবে। এই উদ্যোগ আগামী দিনে জাতীয় দল ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্বকারী অ্যাথলেট তৈরিতে টেকসই ভিত্তি স্থাপন করবে।


