সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নতুন বিচারপতি হিসেবে মো. হাবিবুল গনির শপথগ্রহণ সম্পন্ন

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নতুন বিচারপতি হিসেবে মো. হাবিবুল গনির শপথগ্রহণ সম্পন্ন

আইন আদালত ডেস্ক
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নতুন বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি। রবিবার (৩০ আগস্ট) সকালে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী। এ সময় সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের অন্যান্য বিচারপতিগণ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ২৭ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত বিচারক মো. হাবিবুল গনিকে তার শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং এই নিয়োগ শপথ গ্রহণের দিন থেকেই কার্যকর হবে।
বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি এর আগে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে দীর্ঘদিন সততা ও দক্ষতার সঙ্গে বিচারিক দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। হাইকোর্ট বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলার রায় প্রদান এবং আইনি প্রক্রিয়া পরিচালনায় মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। তার এই নতুন নিয়োগের ফলে প্রধান বিচারপতিসহ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারপতির মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল পাঁচজনে।
আইন অঙ্গনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে বিচারাধীন মামলাজট নিরসন প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে। এর মাধ্যমে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষ আরও দ্রুত ন্যায়বিচার প্রাপ্তির সুযোগ পাবেন এবং বিচার বিভাগের সামগ্রিক কার্যক্রম আরও সুচারুভাবে পরিচালিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংবিধান অনুযায়ী দেশের সর্বোচ্চ appellate বা আপিল আদালত আইনগত জটিলতা নিরসন এবং নিম্ন ও উচ্চ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল নিষ্পত্তিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। নতুন বিচারপতির যোগদানের ফলে আপিল বিভাগের বেঞ্চের কর্মপরিধি আরও সম্প্রসারিত হবে এবং বিচারিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে।
আইন আদালত শীর্ষ সংবাদ